পেট্রাপোল-বেনাপোল দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের বাণিজ্য বন্ধ যে কারণে
https://parstoday.ir/bn/news/india-i51039-পেট্রাপোল_বেনাপোল_দিয়ে_ভারত_বাংলাদেশের_বাণিজ্য_বন্ধ_যে_কারণে
পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। আজ (সোমবার) ক্লিয়ারিং ও ফরওয়ার্ডিং এজেন্টদের কর্মবিরতির জেরে বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে দু'দেশের কয়েক কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে।
(last modified 2026-05-09T13:18:37+00:00 )
জানুয়ারি ০৮, ২০১৮ ১৪:৩৬ Asia/Dhaka
  • পেট্রাপোল-বেনাপোল দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের বাণিজ্য বন্ধ যে কারণে

পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। আজ (সোমবার) ক্লিয়ারিং ও ফরওয়ার্ডিং এজেন্টদের কর্মবিরতির জেরে বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে দু'দেশের কয়েক কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে।

একটি সূত্রে প্রকাশ, আমদানি-রফতানি সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ক্লিয়ারিং এজেন্টদের সঙ্গে শুল্ক দপ্তরের মধ্যে টানাপড়েনের জেরে সোমবার সকাল থেকে কর্মবিরতি পালন করে ক্লিয়ারিং ও ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট এসোসিয়েশনের কর্মীরা। সমস্যার সমাধান না হলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এ সময় পেট্রাপোল স্থলবন্দর থেকে বাংলাদেশের বেনাপোল স্থলবন্দরগামী কয়েক হাজার পণ্যবাহী ট্রাক বনগাঁর যশোর রোড ও পেট্রাপোল কেন্দ্রীয় ট্রাক টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হয়।

এ বিষয়ে পেট্রাপোল এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড ইমপোর্টার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি পরিতোষ বিশ্বাস বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ছিল, ‘মোর ভলিউম, মোর এক্সপোর্ট’ সেই ভিশনকেই বিপথে চালিত করছেন কেন্দ্রীয় সরকারের শুল্ক দফতর। আমরা যেসব এক্সপোর্ট করে থাকি তার একটা খরচ আছে। চাল বা মেশিনারির ক্ষেত্রে তা ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। কিন্তু বর্তমানে ক্লিয়ারিং এজেন্টদের পক্ষ থেকে খরচের যে বিল আমাদের কাছে পাঠানো হচ্ছে তা আগের তুলনায় দুই/তিন গুণ বেশি। ক্লিয়ারিং এজেন্টরা কাস্টমস ও বিভিন্ন ধরণের খরচার কথা বলছেন। এসব খরচ না দিলে রফতানি সংক্রান্ত নথি নানাভাবে চেক করা হচ্ছে, যাতে এক্সপোর্ট আরো কম হয়।"

পরিতোষ বাবু বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে দিবারাত্র এক্সপোর্ট চালু হওয়ায় আমাদের টার্গেট ছিল এক্সপোর্টের ভলিউম আরো বাড়ানো। কিন্তু কাস্টমসের অসহযোগিতার জন্য তা সম্ভব হচ্ছে না। ক্লিয়ারিং এজেন্টরা এ নিয়ে আলোচনায় বসলেও কোনো সমাধান না হওয়ায় তারা কর্মবিরতি পালন করেছে। তা সত্ত্বেও শুল্ক দফতর যদি এক্সপোর্টে সহযোগিতা না করে তাহলে তারা একনাগাড়ে ধর্মঘটের দিকে যেতে পারে।"

একই বিষয়ে পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং স্টাফ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, "সরকার নগদে লেনদেন বন্ধ করতে চাইলেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে নগদে খরচার পরিমাণ বেড়ে গেছে।  আমদানি-রফতানিকারক সংস্থা সেই বাড়তি খরচ না দিতে চাওয়ায় সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। আগামীতে পরিস্থিতি অনুসারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।"

আমদানি-রফতানি সংস্থার অভিযোগ প্রসঙ্গে পেট্রাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/৮