ভারতীয় নারী নিহতের প্রতিবাদে কাশ্মির বিধানসভায় হট্টগোল, বনধ পালিত
-
কাশ্মির বিধানসভায় হট্টগোল
জম্মু-কাশ্মির সীমান্তে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গুলিতে ভারতের এক বেসামরিক নারী নিহত হয়েছেন। ওই ঘটনার প্রতিবাদে আজ (শুক্রবার) জম্মু-কাশ্মির বিধানসভায় বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে হট্টগোল করেন।
পাকিস্তানের পক্ষ থেকে একনাগাড়ে গোলাগুলি বর্ষণের ঘটনায় বিরোধী ন্যাশনাল কনফারেন্স ও অন্য সদস্যরা প্রতিবাদে শামিল হন। আজ বিধানসভার কাজ শুরু হওয়া মাত্রই বিধায়ক মিয়াঁ আলতাফসহ অন্য বিধায়করা মেন্ধার সীমান্তে ৪৭ বছর বয়সী এক নারী নিহত হওয়ার প্রতিবাদ জানান।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় পুঞ্চের মেন্ধার সীমান্তে পাকবাহিনীর মর্টার শেলের আঘাতে জয়নাব (৪৭) নামে এক নারী তার বাসাতেই মারা যান।
বিধায়ক মিয়াঁ আলতাফ ও আলী মুহাম্মদ সাগর এ ব্যাপারে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করেন। তাদের প্রশ্ন কতদিন ধরে এভাবে নিরীহ মানুষজনের মৃত্যুর ঘটনা চলতে থাকবে?
এদিকে, অন্য একটি ঘটনায় কৃষ্ণাঘাঁটি সেক্টরে গতকাল (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় ভারত-পাক সেনাবাহিনীর মধ্যে পাল্টাপাল্টি গোলাগুলির মধ্যে হাবিলদার লখবিন্দর সিং, হাবিলদার বলবীর সিং এবং ল্যান্স নায়েক চরণজিৎ সিং নামে তিন ভারতীয় সেনাসদস্য আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে দু’জনকে বিমানযোগে উধুমপুরে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এদিকে, আজ আফজাল গুরুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কাশ্মির উপত্যাকায় সর্বাত্মক বনধ পালিত হয়েছে। বনধের ফলে কাশ্মির উপত্যাকার জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। সেখানকার দোকানপাট, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। যৌথ প্রতিরোধ নেতৃত্ব সাইয়্যেদ আলীশাহ গিলানী, মীরওয়াইজ ওমর ফারুক এবং মুহাম্মদ ইয়াসীন মালিকের পক্ষ থেকে ওই বনধের ডাক দেয়া হয়। ২০০১ সালে সংসদে আক্রমণে ভূমিকা থাকার অভিযোগে আফজাল গুরুকে ২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তিহার কারাগারে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।#
পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/৯