কাশ্মির সীমান্তে পাকিস্তানের গুলি: বেসামরিক মানুষ হতাহত ও পলায়ন বাড়ছে
https://parstoday.ir/bn/news/india-i53611-কাশ্মির_সীমান্তে_পাকিস্তানের_গুলি_বেসামরিক_মানুষ_হতাহত_ও_পলায়ন_বাড়ছে
ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মিরের রাজৌরি জেলায় নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর পাকিস্তানি বাহিনীর গোলাগুলির ফলে গত ১০ মাসে ৬ বেসামরিক ব্যক্তি নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছেন। রাজৌরির জেলা উন্নয়ন কমিশনার শাহীদ ইকবাল গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সীমান্তের ওপার থেকে গুলিবর্ষণের ফলে নৌশেরা ও মাঞ্জাকোট এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০১৮ ০৯:৪০ Asia/Dhaka
  • গুলি থেকে বাঁচতে বাঙ্কারে আশ্রয়
    গুলি থেকে বাঁচতে বাঙ্কারে আশ্রয়

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মিরের রাজৌরি জেলায় নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর পাকিস্তানি বাহিনীর গোলাগুলির ফলে গত ১০ মাসে ৬ বেসামরিক ব্যক্তি নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছেন। রাজৌরির জেলা উন্নয়ন কমিশনার শাহীদ ইকবাল গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সীমান্তের ওপার থেকে গুলিবর্ষণের ফলে নৌশেরা ও মাঞ্জাকোট এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

তিনি বলেন, ‘২০১৭ সালের ১ মে থেকে ২০১৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গোলাগুলির ফলে ১৬৯টি বাড়ি ও ১২টি সরকারি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত দশ মাসে নিয়ন্ত্রণরেখার পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে ৪ হাজার ৬০০ মানুষ অন্যত্র চলে গেছেন। স্থানীয় প্রশাসন জনগণের নিরাপত্তার জন্য দু’টি সেক্টরের বিভিন্ন জায়গায় ৮৬ টি ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার নির্মাণ করেছে। ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য ৮০টিরও বেশি স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে।’

বাঙ্কারে আশ্রয় নিয়েছে মানুষজন

অন্যদিকে, আজ (সোমবার) গণমাধ্যমে প্রকাশ, উত্তর কাশ্মিরের উরি সেক্টরে ভারত ও পাকবাহিনীর গোলাগুলির মধ্যে নিয়ন্ত্রণরেখা লাগোয়া এলাকা থেকে দু’হাজারেরও বেশি মানুষ অন্যত্র নিরাপদ স্থানে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রামগুলোতে বাঙ্কার না থাকায় বাসিন্দারা ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। এসব এলাকার মানুষজন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ছেড়ে প্রধান শহর ও অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন।

সরকারি পরিসংখ্যানে প্রকাশ, ২০১৪ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সীমান্ত ও নিয়ন্ত্রণরেখায় পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ফলে ৫৫ বেসামরিক ব্যক্তি ছাড়াও আধাসামরিক বাহিনী বিএসএফ ও সেনাবাহিনীর ৪৪ সদস্য নিহত হয়েছেন।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/২৬