কাশ্মিরে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে মিছিল: পুলিশের কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ
https://parstoday.ir/bn/news/india-i55970-কাশ্মিরে_শিশু_ধর্ষণ_ও_হত্যার_প্রতিবাদে_মিছিল_পুলিশের_কাঁদানে_গ্যাস_নিক্ষেপ
জম্মু-কাশ্মিরে নিরাপত্তাবাহিনী ও প্রতিবাদী জনতার মধ্যে সংঘর্ষে সাত বেসামরিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। কঠুয়াতে সম্প্রতি ৮ বছর বয়সী এক শিশুকে গণধর্ষণসহ নির্মমভাবে হত্যার প্রতিবাদ ও দোষীদের ফাঁসির দাবিতে আজ (বুধবার) একদল ছাত্র ব্যানারসহ খানাবল-পহেলগাম সড়কে মিছিল বের করার চেষ্টা করলে ওই সংঘর্ষ হয়।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
এপ্রিল ১৮, ২০১৮ ১১:২৪ Asia/Dhaka
  • আসিফার ধর্ষক ও খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মিছিল
    আসিফার ধর্ষক ও খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মিছিল

জম্মু-কাশ্মিরে নিরাপত্তাবাহিনী ও প্রতিবাদী জনতার মধ্যে সংঘর্ষে সাত বেসামরিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। কঠুয়াতে সম্প্রতি ৮ বছর বয়সী এক শিশুকে গণধর্ষণসহ নির্মমভাবে হত্যার প্রতিবাদ ও দোষীদের ফাঁসির দাবিতে আজ (বুধবার) একদল ছাত্র ব্যানারসহ খানাবল-পহেলগাম সড়কে মিছিল বের করার চেষ্টা করলে ওই সংঘর্ষ হয়।

এ সময় বিভিন্ন দোকানপাট ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের সেল নিক্ষেপ করলে কমপক্ষে ৭ যুবক আহত হন। আহত তরুণদের অনন্তনাগ জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শ্রীনগরে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, আজ গান্দেরবলে ডিগ্রি কলেজের ছাত্রদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। ছাত্ররা আজ কলেজের ক্লাস বয়কট করে কঠুয়ায় নির্যাতিতা ও নিহত শিশুর সুবিচারের দাবিতে কলেজ চত্বরে জড়ো হয়। এসময় বিক্ষোভকারীরা স্বাধীনতাকামী স্লোগানসহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। বিক্ষোভকারীরা প্রধান সড়কে যাওয়ার চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনী তাদের বাধা দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

অন্যদিকে, উত্তর কাশ্মিরের সোপোরে গতকাল (মঙ্গলবার) একই ইস্যুতে স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ-আন্দোলনে শামিল হন শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী। তারা ওই ঘটনার সুবিচারের দাবিতে সোচ্চার হলে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে নিরাপত্তা বাহিনী কাঁদানে গ্যাসের সেল নিক্ষেপ করে। প্রতিবাদী ছাত্ররা মিছিল করে হাঁটতে শুরু করতেই নিরাপত্তা বাহিনী বাধা দেয় বলে অভিযোগ।

কঠুয়ার রসনায় অপহরণ করে একটি মন্দিরে ৭ দিন ধরে গণধর্ষণ করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় ৮ বছরের শিশু আসিফাকে। পরে একটি জঙ্গল থেকে তার ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার হয়। ভয়াবহ ওই ঘটনায় অপরাধীদের আড়াল করতে ‘হিন্দু একতা মঞ্চ’-র নামে রাজ্যের দু’জন বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী মিছিলের নেতৃত্ব দেন বলে অভিযোগ। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, তাদের মন্ত্রীরা উত্তেজিত লোকদের শান্ত করতে গিয়েছিলেন। পরে প্রবল চাপের মুখে মন্ত্রী লাল সিং ও চান্দের প্রকাশ গঙ্গা নামে দু’জন মন্ত্রী পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।

নারকীয় ওই ঘটনায় কার্যত গোটা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি হলে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে একে ‘ভয়ঙ্কর’ বলে মন্তব্য করা হয়। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তেনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, 'আমরা আশা করব প্রশাসন দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।'#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/১৮