ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮৭৩, মৃত ২০
https://parstoday.ir/bn/news/india-i78628-ভারতে_করোনায়_আক্রান্তের_সংখ্যা_বেড়ে_৮৭৩_মৃত_২০
ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮৭৩ জনে পৌঁছেছে। মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০ হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৭৯ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭৯ জন। কার্যত দ্রুতগতিতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
মার্চ ২৮, ২০২০ ০৮:৪৭ Asia/Dhaka
  • ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮৭৩, মৃত ২০

ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮৭৩ জনে পৌঁছেছে। মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০ হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৭৯ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭৯ জন। কার্যত দ্রুতগতিতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে দেশজুড়ে লকডাউন পরিস্থিতি কার্যকর থাকলেও করোনায় আক্রান্তের সংখ্যাটা ক্রমেই উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে। দেশে এখনও পর্যন্ত মোট ৮৭৩ জন সংক্রমিত হয়েছেন। যদিও বেসরকারি হিসাবে এই সংখ্যা ৯০০ অতিক্রম করেছে। গতকাল শুক্রবারেই ১৪০ জন আক্রান্ত হয়েছেন, যা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ বলে মনে করা হচ্ছে।

আজ (শনিবার) সকাল পর্যন্ত নতুন করে ৩৯ জন সংক্রমিত হয়েছেন। ভারতের মহারাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি ১৮০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। এরপরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কেরালা। এখানে এপর্যন্ত ১৪৯ জন আক্রান্ত হয়েছে। দেশে এ পর্যন্ত ৮২৬ জন ভারতীয় এবং ৪৭ জন বিদেশি করোনা আক্রান্ত হয়েছে।

এদিকে, লকডাউন পরিস্থিতিতে দিল্লি-উত্তর প্রদেশ সীমান্ত দিয়ে বহু মানুষ সড়কপথ ধরে কয়েকশ’ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে বাসায় ফেরার চেষ্টা করায় তারা দুর্ভোগে পড়েছেন। গাজিয়াবাদ এলাকাতেও সড়কপথে বাসায় ফিরতে দেখা যায় বহু মানুষকে।

আজ (শনিবার) ভারতের প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী এমপি এসব লোকদেরকে খাদ্য, পানীয়সহ যথাসম্ভব সহায়তা করার জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে আবেদন জানিয়েছেন।

এদিকে, দিল্লিতে কাজকর্ম করা অনেক শ্রমিক উত্তর প্রদেশে নিজ বাসায় ফিরতে গিয়ে ব্যাপক সমস্যায় পড়েছেন। লকডাউনের ফলে সড়কে যানবাহন না থাকায় তাদেরকে পায়ে হেঁটেই ফিরতে হচ্ছে। লক্ষনৌয়ের চারবাগ বাস স্ট্যান্ডে কয়েকশ’ লোক বাসের অপেক্ষায় রয়েছেন। কেউ বা রায়পুর যাবেন, কেউ গোরক্ষপুর যাবেন। বাস স্ট্যান্ডেই এসব লোক কমপক্ষে ২/৪ দিন বাসের অপেক্ষায় আছেন।

উত্তর প্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য বলেন, এসব লোক দিল্লি থেকে চলে আসছেন। যেরকম ব্যবস্থা করা দরকার দিল্লি সরকার তা করেনি। এজন্য লোকজন সেখান থেকে চলে আসছে। এরা যেখান থেকেই আসুক না কেন আমরা পথে তাদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করব। লোকজনের আছে আমাদের আবেদন আপনারা যেখানে আছেন, সেখানেই থাকুন এরফলে সংক্রমণ ছড়ানো বন্ধ হবে।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/২৮ 

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।