ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০০০, সুস্থ ৮০, তিহার জেল থেকে বন্দি মুক্তি
https://parstoday.ir/bn/news/india-i78653-ভারতে_করোনায়_আক্রান্তের_সংখ্যা_১০০০_সুস্থ_৮০_তিহার_জেল_থেকে_বন্দি_মুক্তি
ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়েছে। এরমধ্যে পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে ১৮ জন। আজ (রোববার) সকালে এবিপিলাইভ ডটকম ও ‘আজতক’ টিভি চ্যানেলের ওয়েবসাইটে আক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ১০২৯ এবং ১০০৫ বলে জানানো হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় প্রতিমুহূর্তে অবশ্য পরিসংখ্যান পরিবর্তন হচ্ছে। আক্রান্তদের মধ্যে কমপক্ষে ৮০ জন সুস্থ হয়েছেন।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
মার্চ ২৯, ২০২০ ০৭:৪৫ Asia/Dhaka
  • ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০০০, সুস্থ ৮০, তিহার জেল থেকে বন্দি মুক্তি

ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়েছে। এরমধ্যে পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে ১৮ জন। আজ (রোববার) সকালে এবিপিলাইভ ডটকম ও ‘আজতক’ টিভি চ্যানেলের ওয়েবসাইটে আক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ১০২৯ এবং ১০০৫ বলে জানানো হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় প্রতিমুহূর্তে অবশ্য পরিসংখ্যান পরিবর্তন হচ্ছে। আক্রান্তদের মধ্যে কমপক্ষে ৮০ জন সুস্থ হয়েছেন।

এদিকে, করোনাজনিত কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গতকাল (শনিবার) অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে দিল্লির তিহার জেল থেকে ৩৫৬ বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এদের ৪৫ দিনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেওয়া হয়েছে। একইসময়ে, ৮ সপ্তাহের জন্য জরুরি প্যারোলে ৬৩ জন বন্দিকে জামিন দেওয়া হয়েছে। তিহার জেল প্রশাসন ব্যারাক থেকে ভিড় কমাতে ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশ সরকারও ৮ সপ্তাহের প্যারোলে মুক্তি দিয়েছে ১১ হাজার বন্দিকে। 

তিহার জেল, দিল্লি।

এদিকে, মধ্য প্রদেশের গোয়ালিয়রে আধাসামরিক বাহিনী বিএসএফের এক কর্মকর্তার করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এই প্রথম আধাসেনার কেউ সংক্রমিত হলেন বলে মনে করা হচ্ছে। আক্রান্ত ওই কর্মকর্তা টেকনপুরের বিএসএফ অ্যাকাডেমিতে ডেপুটি কমান্ডান্ট হিসেবে কর্মরত। তাঁর স্ত্রী সম্প্রতি বিদেশ থেকে ফিরেছিলেন। তিনি সম্প্রতি ব্রিটেনে গিয়েছিলেন। বিএসএফের ওই কর্মকর্তা ১৫ মার্চ থেকে ১৯ মার্চের মধ্যে এডিজি ও আইজি র‍্যাঙ্কের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কয়েকবার বৈঠক করেন। এবার সমস্ত কর্মকর্তাদের কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে। অন্যদিকে, মুম্বাইতে সিআইএসএফের এক জওয়ান করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকারগুলো করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে। কিন্তু অন্য রাজ্যে পাড়ি জমানো দৈনিক মজুরি শ্রমিকরা সমস্যা বাড়িয়ে দিচ্ছেন বলে মনে করা হচ্ছে। এসব শ্রমিক নিজ রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে কাজে গিয়েছিলেন। লকডাউনের কারণে তারা এখন কাজ না পাওয়ায় নিজ নিজ রাজ্যে ফিরে যাচ্ছেন। কিন্তু হাজার হাজার মানুষ একসঙ্গে পথে বেরোনোয় লকডাউনের উদ্দেশ্য ভেস্তে যাওয়াসহ করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা জোরালো হয়েছে। একইসঙ্গে সড়কে নেমে বাসার পথ ধরা ওই শ্রমিকরাও যানবাহন, খাদ্য, পানীয়ের সমস্যায় পড়েছেন।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/২৯

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।