ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বর্ষপূর্তিকে স্বর্ণযুগের সঙ্গে তুলনা মোদির, বিশ্লেষকের প্রতিক্রিয়া
https://parstoday.ir/bn/news/india-i80304-ভারতের_কেন্দ্রীয়_সরকারের_বর্ষপূর্তিকে_স্বর্ণযুগের_সঙ্গে_তুলনা_মোদির_বিশ্লেষকের_প্রতিক্রিয়া
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বর্ষপূর্তিকে স্বর্ণযুগের সঙ্গে তুলনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরেছিলেন মোদি। ৩০ মে দ্বিতীয় বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি। দীর্ঘ এক বছর কেটে গিয়েছে তাঁর দ্বিতীয় দফার শাসনকালের। এসময়ের মধ্যে সাফল্যের বিস্তারিত খতিয়ান তুলে ধরে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে চিঠি লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।’
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
মে ৩০, ২০২০ ১৫:০১ Asia/Dhaka
  • নরেন্দ্র মোদি
    নরেন্দ্র মোদি

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বর্ষপূর্তিকে স্বর্ণযুগের সঙ্গে তুলনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরেছিলেন মোদি। ৩০ মে দ্বিতীয় বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি। দীর্ঘ এক বছর কেটে গিয়েছে তাঁর দ্বিতীয় দফার শাসনকালের। এসময়ের মধ্যে সাফল্যের বিস্তারিত খতিয়ান তুলে ধরে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে চিঠি লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।’

তিনি তাঁর চিঠিতে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার, রাম জন্মভূমির রায়, ট্রিপল তালাক এবং সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের মতো বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে  গরীবদের মর্যাদা বৃদ্ধি হয়েছে, বিনামূল্যে গ্যাস, বিদ্যুৎ সংযোগ, স্বচ্ছ অভিযান থেকে শুরু করে সকলের জন্য ঘর ইত্যাদি হয়েছে। এছাড়া তিনি প্রধানমন্ত্রী সম্মান নিধি, কৃষক, কৃষি শ্রমিক, ছোট দোকানদার  এবং অসংগঠিত ক্ষেত্রে শ্রমিকদের জন্য মাসিক পেনশন চালু করা র বিষয়গুলোও উল্লেখ করেছেন।  

কেন্দ্রীয় সরকারের বর্ষপূর্তি প্রসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের দেওয়ান আব্দুল গণি কলেজের অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ ইসমাইল আজ (শনিবার) রেডিও তেহরানকে বলেন, ‘এটা গোটা দেশবাসী ও পৃথিবী অবগত যে, বিজেপি সরকার দ্বিতীয় দফায় দ্বিতীয়বর্ষে ওরা প্রবেশ করছে। ওরা একটানা ৬ বছর সরকার চালালো। এই ৬ বছরের মধ্যে দেশের যে অর্থনীতি তা বিপর্যস্ত এনিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। সারা বিশ্ব অবগত। দেশে যে নারী নির্যাতন বেড়েছে, সংখ্যালঘুদের ওপরে যেভাবে দৈনিক অত্যাচার নেমে আসছে, সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে তাঁদের বেশভূষা, খাওয়া-দাওয়া সবকিছুর ওপরে একটা বিশাল বড় আঘাত নেমে এসেছে। অবশ্য শুধু সংখ্যালঘুদের উপরে নয়, সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ, দলিত ও ওবিসি সম্প্রদায়ের মানুষদের উপরে বিশাল নির্যাতন নেমে এসেছে দেশজুড়ে। ওঁরা যেসব সাফল্যের দাবি করছেন আসলে তা সবই ভিত্তিহীন। আসলে এটা তো আরএসএস পরিচালিত সরকার। এদের প্রধান উদ্দেশ্যই হল মুসলিমদের যেভাবেই হোক হেনস্থা করা। আরএসএসের প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই ওরা একাজ করছিল। কাশ্মীরকে বিভক্ত করে, সেখানকার মানুষদের ওপরে নির্যাতন শুরু কড়ে ওরা ওঁদের ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য সফল করেছে। সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় আইনের উপরে আঘাত করে ট্রিপল তালাক নিষিদ্ধ করেছে। ধর্মীয় বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা যায় না, কারণ ধর্ম সবসময় লজিক দিয়ে চলে না। সরকারের কাছে ট্রিপল তালাক সংক্রান্ত বিস্তারিত কোনও তথ্য নেই।’
অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ ইসমাইল

তিনি আরও বলেন, তারা যে বর্ষপূর্তি পালন করছে তা একতরফাভাবে মানুষকে মেরুকরণ করে। দেশে সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়িয়ে এটা করছে। প্রকৃতপক্ষে সফলতা তাঁদের কিছু নেই বলেও অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ ইসমাইল মন্তব্য করেন।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এমবিএ/৩০

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।