কৃষি বিল ইস্যুতে দিল্লির যন্তরমন্তরে ধর্না-অবস্থান কর্মসূচিতে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী
https://parstoday.ir/bn/news/india-i84391-কৃষি_বিল_ইস্যুতে_দিল্লির_যন্তরমন্তরে_ধর্না_অবস্থান_কর্মসূচিতে_পাঞ্জাবের_মুখ্যমন্ত্রী
ভারতের পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং কৃষি বিল ইস্যুতে দিল্লির যন্তরমন্তরে ধর্না-অবস্থান কর্মসূচিতে শামিল হয়েছেন। আজ (বুধবার) কংগ্রেস নেতা অমরিন্দর সিং‌, নবজ্যোত সিং সিধু ও অন্য নেতারা ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
নভেম্বর ০৪, ২০২০ ১৫:১৬ Asia/Dhaka
  • দিল্লির যন্তরমন্তরে ধর্না-অবস্থান কর্মসূচিতে  পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং
    দিল্লির যন্তরমন্তরে ধর্না-অবস্থান কর্মসূচিতে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং

ভারতের পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং কৃষি বিল ইস্যুতে দিল্লির যন্তরমন্তরে ধর্না-অবস্থান কর্মসূচিতে শামিল হয়েছেন। আজ (বুধবার) কংগ্রেস নেতা অমরিন্দর সিং‌, নবজ্যোত সিং সিধু ও অন্য নেতারা ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।

কেন্দ্রীয় সরকার সম্প্রতি যে নয়া কৃষি আইন তৈরি করেছে তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে কৃষক ও বিরোধীদলীয় নেতারা আন্দোলন চালাচ্ছেন। পাঞ্জাবের বিভিন্ন জায়গায় সড়ক ও রেল অবরোধ হয়েছে। এখনও কিছু কিছু জায়গায় সড়ক অবরোধ চলছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের আইনের পাল্টা পদক্ষেপে নয়াবিল পাস করা হয়েছে কংগ্রেসশাসিত পাঞ্জাব বিধানসভায়। মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং বলেন, ‘কৃষি রাজ্যের বিষয়। আমরা আমাদের অধিকার প্রয়োগ করে নয়া কৃষি আইন প্রনয়ন করেছি। কিন্তু ওই বিলটি এখনও রাজ্যপালের কাছে পড়ে রয়েছে। আমরা তাঁকে ২০ অক্টোবর বিল দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি এখনও এটি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ করেননি। আমি রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করে তাকে পাঞ্জাবের পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত করতে চেয়েছিলাম। আমি আশাকরি রাষ্ট্রপতি ওই বিলটি গ্রহণ করবেন।’

মুখ্যমন্ত্রী ওই ইস্যুতে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু রাষ্ট্রপতি তাকে সাক্ষাতের সময় দেননি।

মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং বলেন, ‘শান্তি বজায় রাখা আমাদের দায়িত্ব। আমরা আমাদের দেশের জন্য অনেকবার রক্ত দিয়েছি এবং ভবিষ্যতে আরও দিতে প্রস্তুত। আমরা কোনও বিবাদ চাই না।পাঞ্জাবে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ প্রদর্শন চলছে। আমাদের উদ্দেশ্য ছিল গান্ধীজির সমাধিতে গিয়ে সেখানে ধর্না-অবস্থানে বসা। কিন্তু ১৪৪ ধারা কার্যকর থাকায় আমরা এখানে বসেছি।’

তিনি বলেন, ‘পাঞ্জাবের জনসংখ্যা তিন কোটিরও বেশি। আমাদের জওয়ানরা সিয়াচেনে বসে আছে। আমরা দেশের বিরুদ্ধে এমন কিছু করব না, যা দেশের বিরুদ্ধে যায়। আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে কথা  বলতে চাই। আমরা এমন কোনও কথা বলিনি যা দেশবিরোধী বলে বিবেচিত হবে। আমাদের লোকেরা সীমান্ত রক্ষা করছে। গুরেজ, দ্রাস, লেহ, লাদাখ, চুসুল এবং গালওয়ানসহ সব জায়গায় পাঞ্জাবিরা বসে আছেন। আমরা দেশবিরোধী নই। পাঞ্জাব একটি সীমান্ত রাজ্য। আমরা দুর্ভোগ চাই না। আমাদের এখানে ট্রেন বন্ধ করা হয়েছে, কিন্তু কৃষকরা কেবল দুটি প্রধান সড়কে আছেন। অন্য জায়গাগুলোতে ট্রেন চালানো হোক। আমি রেলমন্ত্রীকে বলেছিলাম আপনি ট্রেন চালান, আমি দায়িত্ব নিচ্ছি। কোনও সমস্যা হবে না। আমাদের এখানে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লা ফুরিয়েছে। বিদ্যুতের সমস্যা হচ্ছে। ট্রেন না চললে কয়লা আসবে না।’

কেন্দ্রীয় সরকারের সাম্প্রতিক কৃষি আইন সম্পর্কে কংগ্রেস নেতা নবজ্যোত সিং সিধু বলেন, 'এটি সাদা ব্রিটিশদের হাত নয়, কালো ব্রিটিশদের শক্তিশালী করার জন্য। আমরা পাঞ্জাবে ওই আইন আনব না। কৃষকরা কুরবানি হচ্ছেন। ওই আইন সংবিধানের চেতনার বিরুদ্ধে হামলা।' কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি কেবল দু'জন পুঁজিপতির জন্যই তৈরি হয়েছে বলেও কংগ্রেস নেতা নবজ্যোত সিং সিধু মন্তব্য করেন।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/৪

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।