আমির এলহামি: নতুন দেশীয় সরঞ্জাম দিয়ে শত্রু যোদ্ধাদের নিধন করা সম্ভব হয়েছে
পার্সটুডে - ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা যৌথ সদর দপ্তরের কমান্ডার বলেছেন: নতুন দেশীয় পদ্ধতি ও সরঞ্জামের মাধ্যমে শত্রুপক্ষের পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান এবং উন্নত ড্রোন ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে।
পার্সটুডের প্রতিবেদন অনুসারে, ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা যৌথ সদর দপ্তরের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলিরেজা এলহামি, ইরানের সেনাবাহিনী এবং ইসলামি বিপ্লবী গার্ডবাহিনী বা আইআরজিসির প্রতিরক্ষা অবস্থান পরিদর্শনকালে বলেন, "সাম্প্রতিক সাফল্যগুলো সশস্ত্র বাহিনীর, বিশেষ করে সেনাবাহিনী এবং আইআরজিসি-র প্রতিরক্ষা যোদ্ধাদের সংগ্রাম ও নিষ্ঠার ফল, যারা ইসলামী মাতৃভূমির হাজার হাজার স্থানে মোতায়েন রয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "রমজান যুদ্ধে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাহসী সেনারা বেশ কয়েকটি উন্নত শত্রু যুদ্ধবিমান এবং আমেরিকা-ইহুদিবাদী শত্রুর ১৬০টিরও বেশি এমকিউ-৯, হার্মিস, লুকাস ও অন্যান্য ধরনের ড্রোন এবং কয়েক ডজন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সফল হয়েছে।
তারা যেকোনো আক্রমণাত্মক অভিযান চালানোর আগেই সময়োপযোগী ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিয়েছে এবং শত্রুর প্রচারণাকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দিয়েছে।"শত্রু যুদ্ধবিমান ও ড্রোনের জন্য আমরা ওত পেতে আছি, এই কথার ওপর জোর দিয়ে আমির এলহামি আরও বলেন: "সেনাবাহিনী এবং আইআরজিসি-র প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলোর দ্বারা বেশ কয়েকটি উন্নত চতুর্থ ও পঞ্চম প্রজন্মের শত্রু যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা, ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং ভূপাতিত করা হলো সেনাবাহিনী ও আইআরজিসি-র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কৌশল এবং নতুন সরঞ্জাম ও উদ্ভাবনের ব্যবহারের ফল, যা শত্রুকে বিভ্রান্ত করেছে।"
তিনি বলেন, "সেনাবাহিনীতে থাকা ইরানি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং আইআরজিসি শপথ নিয়েছে এবং ইসলামী ইরানের পবিত্র আকাশকে রক্ষা ও সুরক্ষিত করতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করবে না।"#
পার্সটুডে/এমবিএ//৪
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।