দেশের জন্য জীবন দিতে নাম লেখালেন ৩ কোটি ইরানি
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i158708-দেশের_জন্য_জীবন_দিতে_নাম_লেখালেন_৩_কোটি_ইরানি
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ তিন কোটিরও বেশি মানুষ দেশের জন্য জীবন দিতে অঙ্গীকার করেছেন। ইরানে শুরু হওয়া জন-অংশগ্রহণমূলক প্রচারণা ‘জান ফিদা বারয়ে ইরান’ বা ‘ইরানের জন্য জীবন উৎসর্গ’ কর্মসূচিতে নিবন্ধনের সংখ্যা গতরাতে ৩ কোটি অতিক্রম করেছে।
(last modified 2026-04-24T04:31:56+00:00 )
এপ্রিল ২৪, ২০২৬ ১০:৩১ Asia/Dhaka
  • দেশের জন্য জীবন দিতে নাম লেখালেন ৩ কোটি ইরানি

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ তিন কোটিরও বেশি মানুষ দেশের জন্য জীবন দিতে অঙ্গীকার করেছেন। ইরানে শুরু হওয়া জন-অংশগ্রহণমূলক প্রচারণা ‘জান ফিদা বারয়ে ইরান’ বা ‘ইরানের জন্য জীবন উৎসর্গ’ কর্মসূচিতে নিবন্ধনের সংখ্যা গতরাতে ৩ কোটি অতিক্রম করেছে।

ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, ইমাম রেজা (আ.) ও হজরত ফাতেমা মাসুমা (সা. আ.)-এর পবিত্র জন্মদিন উপলক্ষে গতকাল (২৩ এপ্রিল) দেশপ্রেমিক জনতার ৩ কোটি সদস্যের একটি বাহিনী ইরানকে রক্ষার শপথ নিয়ে গঠিত হয়েছে। এই রেকর্ডের মাধ্যমে ৩ কোটি মানুষ প্রিয় ইরানের জন্য আত্মোৎসর্গ করতে এবং ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ মুজতাবা খামেনেয়ির নির্দেশ মেনে চলতে প্রস্তুত বলে ঘোষণা করেছে।

উল্লেখ্য, ‘জানফেদা’ (আত্মোৎসর্গ) প্রচারণা শুরু হয়েছিল চাপানো যুদ্ধের তৃতীয় পর্বের সময় শত্রুর বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ জেহাদে স্বেচ্ছাসেবীদের সংগঠিত করার লক্ষ্যে। প্রচারণাটি ইরানের দেশপ্রেমিক জনতার মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এজন্য একটি নিবন্ধন ব্যবস্থাও চালু হয়েছে, যা এখনও সক্রিয় রয়েছে। এই ব্যবস্থায় এখনো মানুষ নিবন্ধন করছেন, যার ফলে আজ অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ৩ কোটি এক লাখ ৪০ হাজারে পৌঁছেছে।

এই কর্মসূচির প্রতীকী গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়, যখন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এতে নাম নিবন্ধন করেন। যুদ্ধে অংশ নিতে নাম লেখানোর পর প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান এক বক্তব্যে বলেন, “গর্বিত ইরানিরা জীবন উৎসর্গ করতে নিবন্ধন করেছেন। আমিও আমার জীবন ইরানের জন্য উৎসর্গ করতে প্রস্তুত ছিলাম, আছি এবং থাকব।”

ইরানি গণমাধ্যমে এটিকে জনগণের সঙ্গে নেতৃত্বের সংহতির বার্তা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে—যেখানে রাষ্ট্রপ্রধান থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত সবাই একই লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ।

ধারণা করা হচ্ছে, আগামী দিনগুলোতে এই সংখ্যা আরও বিস্ময়কর সীমা ছাড়িয়ে যাবে। এর মাধ্যমে শত্রুরা উপলব্ধি করবে যে, অস্তিত্বগত হুমকির মুখে পড়লে ইরান একটি ঐক্যবদ্ধ কণ্ঠে কথা বলে।#

পার্সটুডে/এমএআর/২৪