মার্কিন বন্ডের সুদের হারের রেকর্ড বৃদ্ধি নিয়ে ইরানের স্পিকারের কটাক্ষ
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i159404-মার্কিন_বন্ডের_সুদের_হারের_রেকর্ড_বৃদ্ধি_নিয়ে_ইরানের_স্পিকারের_কটাক্ষ
পার্সটুডে: মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের (অ্যামেরিকার সরকারি ঋণপত্র) সুদের হার রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কলিবফ বলেছেন: "যুদ্ধমন্ত্রীর ভূমিকায় একজন ব্যর্থ সঞ্চালকের জন্য এই ব্যয়বহুল অর্থায়ন আর্থিক সংকটেরই পদধ্বনি ছাড়া আর কিছুই নয়।"
(last modified 2026-05-15T12:01:16+00:00 )
মে ১৫, ২০২৬ ১৬:২৪ Asia/Dhaka
  • মোহাম্মদ বাকের কলিবফ
    মোহাম্মদ বাকের কলিবফ

পার্সটুডে: মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের (অ্যামেরিকার সরকারি ঋণপত্র) সুদের হার রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কলিবফ বলেছেন: "যুদ্ধমন্ত্রীর ভূমিকায় একজন ব্যর্থ সঞ্চালকের জন্য এই ব্যয়বহুল অর্থায়ন আর্থিক সংকটেরই পদধ্বনি ছাড়া আর কিছুই নয়।"

ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনা'র বরাতে পার্সটুডে লিখেছে, ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কলিবফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম 'এক্স'-এ মার্কিন বন্ডের সুদের হার নজিরবিহীন বৃদ্ধির খবরের দিকে ইঙ্গিত করে লিখেছেন: "আপনারা ২০০৭ সালের পর থেকে বর্তমান পর্যন্ত সব রেকর্ড ভেঙে সর্বোচ্চ সুদের হারে একজন ব্যর্থ টেলিভিশন সঞ্চালককে অর্থায়ন করছেন, যাতে সে আমাদের বাড়ির আঙিনা তথা 'হরমুজ প্রণালি'তে যুদ্ধমন্ত্রীর ভূমিকা পালন করতে পারে।"

কলিবফ আরও জোর দিয়ে বলেন: "আপনারা কি জানেন ৩৯ ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণের চেয়েও বেশি পাগলামি কোনটি? সেটি হলো— এই 'যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলা'র অর্থায়নের জন্য ২০০৮ সালের বিশ্ব আর্থিক মন্দার আগের সমপরিমাণ সুদের হার প্রদান করা; যার চূড়ান্ত ফলাফল হবে কেবল আরও একটি নতুন বিশ্ব আর্থিক সংকট।"

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আমেরিকার ৩০ বছর মেয়াদি বন্ডের মুনাফার হার ৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে, যা ২০০৭ সালের পর (বিশ্ব আর্থিক সংকটের আগের বছর) আর দেখা যায়নি।

বন্ডের সুদের হার বৃদ্ধির অর্থ হলো- মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা বৃদ্ধি, ঋণের খরচ বেড়ে যাওয়া এবং পরিশেষে ইরানের সাথে যুদ্ধংদেহী মনোভাব বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের বোঝা মার্কিন জনগণের ওপর চেপে বসা। যে যুদ্ধ ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হয়েছিল, তা এখন খোদ আমেরিকার অর্থনীতিকেই চাপের মুখে ফেলে দিচ্ছে।*

পার্সটুডে/এমএআর/১৫