ইরানের সংসদ স্পিকার: দেশের শহীদদের হত্যাকারীদের তাদের কৃতকর্মের ফল ভোগ করতে হবে
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i161106-ইরানের_সংসদ_স্পিকার_দেশের_শহীদদের_হত্যাকারীদের_তাদের_কৃতকর্মের_ফল_ভোগ_করতে_হবে
পার্সটুডে- ইরানের সংসদ স্পিকার এক বার্তায় তেহরানে ইরানের শহীদ নেতা ও তাঁর শহীদ পরিবারের সদস্যদের পবিত্র মরদেহের ঐতিহাসিক জানাজা উপলক্ষে লিখেছেন:“এই দেশের শহীদদের, বিশেষ করে শহীদ উম্মাহর ইমামের হত্যাকারীরা তাদের কৃতকর্মের শাস্তি পাবে এবং চূড়ান্ত প্রতিশোধের পদক্ষেপ পবিত্র কুদস (জেরুজালেম) মুক্তির মাধ্যমে বাস্তব রূপ লাভ করবে।”
(last modified 2026-07-07T05:51:33+00:00 )
জুলাই ০৭, ২০২৬ ১১:২১ Asia/Dhaka
  • ইরাানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কলিবফ
    ইরাানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কলিবফ

পার্সটুডে- ইরানের সংসদ স্পিকার এক বার্তায় তেহরানে ইরানের শহীদ নেতা ও তাঁর শহীদ পরিবারের সদস্যদের পবিত্র মরদেহের ঐতিহাসিক জানাজা উপলক্ষে লিখেছেন:“এই দেশের শহীদদের, বিশেষ করে শহীদ উম্মাহর ইমামের হত্যাকারীরা তাদের কৃতকর্মের শাস্তি পাবে এবং চূড়ান্ত প্রতিশোধের পদক্ষেপ পবিত্র কুদস (জেরুজালেম) মুক্তির মাধ্যমে বাস্তব রূপ লাভ করবে।”

পার্স টুডে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, জনাব কলিবফের বার্তার পাঠ নিম্নরূপ:

হে সম্মানিত ও কৃতজ্ঞ ইরানি জাতি!

আমাদের শহীদ নেতার হারানোর বেদনা এবং ইসলামী বিশ্বের উম্মুল কুরা (কেন্দ্রভূমি) রাজধানীতে তাঁর পবিত্র, আহত দেহের শেষ উপস্থিতির দিনটি—এই সংবেদনশীল ও ঐতিহাসিক মুহূর্তে আপনাদের নতুন এক জাগরণের প্রকাশের মাধ্যমে এক মহাকাব্য ও সচেতনতার রূপ নিয়েছে। এটি ইসলামী ইরান ও সমগ্র ইসলামী বিশ্বের নিশ্চিত বিজয়ের পথে অগ্রযাত্রাকে আরও ত্বরান্বিত করেছে।

যে জাতি ৪৭ বছর ধরে নিজেদের বিপ্লবের অগ্রসেনা ও সমর্থক হিসেবে ভূমিকা পালন করে আসছে,তারা গত চার মাসে প্রতি রাতে “আমেরিকার মৃত্যু হোক” এবং “ইসরায়েলের মৃত্যু হোক” ধ্বনির মাধ্যমে আমাদের শহীদ ইমামের হত্যাকারীদের প্রতি নিজেদের ঘৃণা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এবং প্রতিশোধের দাবি জানিয়েছে।

আল্লাহর প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন নিশ্চিত। ইসলামী ইরানের ভূমিতে আগ্রাসনকারীরা এবং এই দেশের শহীদদের,বিশেষ করে শহীদ উম্মাহর নেতার হত্যাকারীরা তাদের কর্মের উপযুক্ত শাস্তি পাবে। আর অত্যাচারী শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিশোধের পদক্ষেপ পবিত্র কুদস মুক্তির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে।

এই জাগ্রত জাতি তাদের নেতাকে বিদায় জানিয়েছে এবং গত চার মাসের মতোই প্রজ্ঞাবান ধর্মীয় নেতা হযরত আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতবা হুসেইনি খামেনেয়ীর প্রতি আনুগত্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। এই জাতির প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত, কারণ তারা ইমাম ও শহীদদের আলোকিত পথে সামান্যতম পিছপা হয়নি।

আজ বিশ্ব বুঝেছে যে ইসলামী বিপ্লব ও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান স্থায়ী ও চিরঞ্জীব। এই জনগণের সমর্থন থাকলে কোনো অচলাবস্থা বা পরাজয় নেই।

এই জাতি ইমাম হুসাইন (আ.)-এর শিক্ষার অনুসারী এবং বিপ্লবের ইমামদের প্রশিক্ষণে গড়ে ওঠা জাতি। শহীদ বিপ্লবী নেতার ৩৭ বছরের নেতৃত্বের সময় তারা শুধু জিহাদ ও সংগ্রামের চেতনা ধরে রাখেনি,বরং বিশ্বের আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে সুসংগঠিত ও দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছে।

আপনাদের মর্যাদা উপলব্ধি করতে হবে এবং আপনাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কোনো প্রচেষ্টায় কমতি রাখা যাবে না। তা হোক ইরানকে রক্ষার জন্য ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা ও প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে, কিংবা কূটনীতি ও আলোচনার ক্ষেত্রে—যা আধিপত্যবাদীদের বিরুদ্ধে সভ্যতাগত ও নীতিগত সংগ্রামের একটি অংশ। অথবা আপনাদের জীবনযাত্রা ও অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধানে সেবার ক্ষেত্রেই হোক।

আশা করা যায়, শহীদ নেতা ও ইসলামী বিপ্লবের নেতার গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করে জনগণের জন্য নিরলস ও কার্যকর কাজ করার বিষয়টি কর্মকর্তাদের প্রচেষ্টায় বাস্তবায়িত হবে।

পার্স টুডে/ এমবিএ /০৭

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।