বিশ্লেষণ | সাশ্রয়ী হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের পথে যুক্তরাষ্ট্র
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i163442-বিশ্লেষণ_সাশ্রয়ী_হাইপারসনিক_ক্ষেপণাস্ত্র_ব্যবহারের_পথে_যুক্তরাষ্ট্র
পার্সটুডে- সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সাশ্রয়ী হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী।
(last modified 2026-09-27T11:03:34+00:00 )
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬ ১৭:০১ Asia/Dhaka
  • ব্ল্যাকবিয়ার্ড ক্ষেপণাস্ত্র
    ব্ল্যাকবিয়ার্ড ক্ষেপণাস্ত্র

পার্সটুডে- সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সাশ্রয়ী হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী।

পার্সটুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী তুলনামূলক কম খরচের একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র নিজেদের অস্ত্রভাণ্ডারে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে।

২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে মার্কিন নৌবাহিনী ‘ব্ল্যাকবিয়ার্ড’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের জন্য ২০ কোটি ডলার বরাদ্দ করেছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরীতে অবস্থানরত যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপ করা হবে।

ব্ল্যাকবিয়ার্ড ক্ষেপণাস্ত্রে একটি কঠিন জ্বালানিচালিত ইঞ্জিন ও একটি হাইপারসনিক গ্লাইডার রয়েছে। প্রকল্পের শর্ত অনুযায়ী এর ওয়ারহেডের ওজন প্রায় ৩৪ কেজি। ভূমি থেকে নিক্ষেপযোগ্য সংস্করণের পাল্লা ১,০০০ কিলোমিটারের কম এবং উচু অবস্থান থেকে বিমানযোগে নিক্ষেপযোগ্য সংস্করণের পাল্লা ১,৫০০ কিলোমিটারের বেশি হবে। এর গতি শব্দের গতির পাঁচ গুণের বেশি। চলমান লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত ও আঘাতের জন্য এতে আলোক-ভিত্তিক লক্ষ্য অনুসন্ধান ব্যবস্থাও থাকবে।

প্রাথমিকভাবে ৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে ৯ কোটি ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে। ২০২৮ সালের মধ্যে এটি নৌবাহিনীতে যুক্ত এবং ২০২৯ সালের মধ্যে পূর্ণ কার্যক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্য রয়েছে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কাস্টেলিয়ন প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্রের দাম প্রায় ৫ লাখ ডলারের মধ্যে রাখার চেষ্টা করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য হলো চীনের মতো ক্রমবর্ধমান সামরিক সক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিদ্বন্দ্বীদের মোকাবিলায় বিমানবাহী রণতরীর যুদ্ধবিমানগুলোর দূরপাল্লার আঘাত হানার সক্ষমতা বাড়ানো।

ব্ল্যাকবিয়ার্ডের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র নতুন প্রজন্মের জাহাজবিধ্বংসী ও রাডারবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রও উন্নয়ন করছে। মার্কিন নৌবাহিনীর দাবি, ব্ল্যাকবিয়ার্ড দ্রুতগতির ও দূরপাল্লার আঘাতের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে যুদ্ধবিমানগুলোর টিকে থাকার ক্ষমতাও বাড়াবে।

পেন্টাগন পাঁচ বছরের একটি ক্রয় কর্মসূচির আওতায় ১২ হাজার পর্যন্ত ব্ল্যাকবিয়ার্ড ক্ষেপণাস্ত্র কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।#

পার্সটুডে/এসএ/২৭

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।