'টিকা আমদানি-নির্ভরতা থেকে মুক্তি'
ইরানি প্রযুক্তিতে জলজ প্রাণীর টিকা উৎপাদন
-
ইরানি প্রযুক্তিতে জলজ প্রাণীর টিকা উৎপাদন
পার্সটুডে: তেহরান জিহাদ বিশ্ববিদ্যালয় সংস্থার গবেষকরা জলজ প্রাণীর টিকা উৎপাদনের প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জন করেছেন। এই সাফল্য ইরানকে এসব টিকা আমদানির ওপর নির্ভরতা থেকে মুক্ত করতে পারে।
ইরনার বরাত দিয়ে পার্সটুডের প্রতিবেদনে জানা গেছে, তেহরান জিহাদ বিশ্ববিদ্যালয় সংস্থার প্রাণিসম্পদ জৈবিক পণ্য গবেষণা দল ২০০৫ সালে জলজ প্রাণীর টিকা নিয়ে গবেষণা শুরু করে। ২০১৪ সালে তারা ‘স্ট্রেপটোককোসিস’ রোগের টিকা উৎপাদনের জন্য ইরানের ভেটেরিনারি অর্গানাইজেশন থেকে প্রথম উৎপাদন লাইসেন্স পায়।
এই গবেষণা দল ১৩৯৬ ফারসি সনে তথা ২০১৭ সালে ‘ইয়ারসিনিওসিস’ রোগের বিরুদ্ধে মাছের টিকা উৎপাদনের জন্য দ্বিতীয় লাইসেন্স পায়। ১৩৯৩ ফারসি সন তথা ২০১৪ সাল থেকে জিহাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে উৎপাদিত টিকা ইরানের মাছের খামারগুলোতে ব্যবহার শুরু হয় এবং এই দলের কারিগরি টিম মাছের টিকাদানের ক্ষেত্রে মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জন করে।
১৩৯৪ ফারসি সন তথা ২০১৫ সাল থেকে একটি ইরানি জ্ঞানভিত্তিক (knowledge-based) কোম্পানির সহযোগিতায় টিকা উৎপাদনও শুরু হয়। এরপর গবেষণা দলের কারিগরি সহায়তায় ওই কোম্পানির মাধ্যমে মাছের টিকা উৎপাদন ও বাজারজাত করা হয়।
তেহরান জিহাদ বিশ্ববিদ্যালয় সংস্থার গবেষকরা ১৩৯৬ ফারসি সন তথা ২০১৭ সালে থেকে সামুদ্রিক মাছের টিকা নিয়ে কাজ শুরু করেন। এ লক্ষ্যে দক্ষিণ ইরানের খাঁচায় মাছ চাষের খামারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং এসব খামার থেকে ব্যাকটেরিয়ার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরপর টিকার প্রাথমিক নমুনা তৈরি করে খামার পর্যায়ে তা ব্যবহার করা হয়।
এই গবেষণার মাধ্যমে ‘সিবাস’ (Sea Bass) মাছের স্ট্রেপটোককোসিস ও ভিব্রিওসিস রোগের বিরুদ্ধে টিকা উৎপাদনের প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জিত হয়েছে। বর্তমানে তেহরান জিহাদ বিশ্ববিদ্যালয় সংস্থার প্রাণিসম্পদজাত পণ্য গবেষণা দলের কর্মপরিকল্পনায় এই টিকা উৎপাদনের অনুমোদন বা লাইসেন্স অর্জনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। #
পার্সটুডে/এমএএইচ /২৬
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।