৫ বছর পর রাষ্ট্রদূত বিনিময় করল ইরান ও ব্রিটেন
-
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে নিজের পরিচয়পত্র পেশ করছেন নয়া ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত
২০১১ সালের পর প্রথম নিজেদের মধ্যে রাষ্ট্রদূত বিনিময় করেছে ইরান ও ব্রিটেন। এ ঘটনাকে দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক উষ্ণ হয়ে ওঠার আরেকটি ইঙ্গিত বলে অনেকে মনে করছেন।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ক মহাপরিচালক হামিদ বাইদিনেজাদকে ব্রিটেনে ইরানের নয়া রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের দীর্ঘ পরমাণু আলোচনার সিনিয়র সদস্য হিসেবেও কাজ করেছেন বাইদিনেজাদ।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, সোমবার বিকেলে হামিদ বাইদিনেজাদ লন্ডনে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নয়া ইরানি রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিজের পরিচয়পত্র তুলে ধরেন।
সূত্র জানায়, ঠিক একই সময়ে তেহরানে নিযুক্ত নয়া ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত নিকোলাস হপটন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নিজের পরিচয়পত্র পেশ করেন। হপটন এর আগে কাতার ও ইয়েমেনে তার দেশের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেন।
২০১১ সালে ইরান ও ব্রিটেনের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাওয়ার চার বছর পর ২০১৫ সালেই পরস্পরের দেশে দূতাবাসের কাজকর্ম শুরু করে তেহরান ও লন্ডন। গত এক বছর ধরে এসব কাজ তদারকি করেছেন দু’দেশের চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স।
২০১১ সালের নভেম্বরে ইরানের ওপর ব্রিটেনের নিষেধাজ্ঞার পরিধি বাড়ানোর পর শত শত ইরানি ছাত্র তেহরানস্থ ব্রিটিশ দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ দেখায়। তারা দূতাবাসের ব্রিটিশ পতাকা নামিয়ে ফেলে এবং ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের দাবি জানায়। এর পরদিনই তেহরান থেকে নিজের কূটনৈতিক স্টাফ প্রত্যাহার করে নেয় ব্রিটেন। তখন থেকে প্রায় চারবছর দু’দেশের মধ্যে সরাসরি কূটনৈতিক পর্যায়ে সম্পর্ক ছিল না।#
পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/৬