ইরানের ‘সেমনন জামে মসজিদ’: হিজরি প্রথম শতাব্দীতে নির্মিত
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i31807-ইরানের_সেমনন_জামে_মসজিদ’_হিজরি_প্রথম_শতাব্দীতে_নির্মিত
ইরানের একটি ঐতিহাসিক ও মূল্যবান নিদর্শন হলো সেমনন জামে মসজিদ। সেমনন প্রদেশের কেন্দ্রীয় শহরে হিজরি প্রথম শতাব্দীতে এই মসজিদটি নির্মিত হয়েছে। এই মসজিদটি সেমনানের প্রাচীনত্ব ও ঐতিহাসিকতার প্রমাণ বহন করে। সেমনানের সর্বপ্রাচীন ইসলামী নিদর্শন হিসেবে এই মসজিদটিকে ধরা হয়।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
জানুয়ারি ২৬, ২০১৭ ০৯:১০ Asia/Dhaka
  • ঐতিহাসিক সেমনন জামে মসজিদ
    ঐতিহাসিক সেমনন জামে মসজিদ

ইরানের একটি ঐতিহাসিক ও মূল্যবান নিদর্শন হলো সেমনন জামে মসজিদ। সেমনন প্রদেশের কেন্দ্রীয় শহরে হিজরি প্রথম শতাব্দীতে এই মসজিদটি নির্মিত হয়েছে। এই মসজিদটি সেমনানের প্রাচীনত্ব ও ঐতিহাসিকতার প্রমাণ বহন করে। সেমনানের সর্বপ্রাচীন ইসলামী নিদর্শন হিসেবে এই মসজিদটিকে ধরা হয়।

মসজিদের মিনার

কালের পরিক্রমায় এই মসজিদে ব্যাপক পরিবর্তন সাধন ও সংস্কারকাজ হয়েছে। তবে মসজিদের বর্তমান কাঠামোতে তৈমুর এবং মোগল আমলের একটা নিদর্শন দেখতে পাওয়া যায়।

মসজিদের ভেতরের দৃশ্য

এই মসজিদ যে পুরোনো তার প্রমাণ মেলে এর মিনারটিতে। মিনারটি বত্রিশ মিটার উঁচু। মসজিদের উত্তর-পূর্ব কোণে এই মিনারটি অবস্থিত। হিজরি চতুর্থ শতাব্দীর প্রথমার্ধে এটি নির্মাণ করা হয়েছে।

মিনারের গায়ে কুফি অক্ষরে লেখা লিপিকর্ম দেখতে পাওয়া যায়। এছাড়া ইটের কারুকাজও বেশ দর্শনীয়। সেমনান জামে মসজিদের এই মিনারটি সালজুকি মিনার নামেও প্রসিদ্ধ।

সালজুকি শাসনামলে নির্মিত ঐতিহাসিক মিনারগুলোর অন্যতম এবং ইরানের জাতীয় নিদর্শনের তালিকাভুক্ত।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২৬