ওয়াশিংটনকে ইরানের সঙ্গে সম্মানের ভাষায় কথা বলতে হবে: মুখপাত্র
-
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্বাস মুসাভি।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আমেরিকার ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের নীতি প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, ওয়াশিংটনকে ইরানি জনগণের সঙ্গে সম্মানের ভাষায় কথা বলতে হবে। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মরগ্যান ওরটাগুসের এক টুইটার বার্তার জবাব দিতে গিয়ে পাল্টার টুইটার পোস্টে এ মন্তব্য করেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্বাস মুসাভি।
মরগ্যান ওরটাগুস তার টুইটার পোস্টে ইরানের ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগ অব্যাহত থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন।
এর জবাব মুসাভি বলেন, “আমরা সর্বোচ্চ স্থিতিস্থাপকতা, বিচক্ষণতা ও আশা দিয়ে আপনাদের সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতিকে ব্যর্থ করে দিয়েছি।”
তিনি আরো বলেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান বিগত চার দশকের মতো বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিও উৎরে যেতে সক্ষম হবে; আর এ ঘটনা থেকে আমেরিকাকে এই শিক্ষা নিতে হবে যে, তাকে ইরানি জনগণকে সম্মান জানিয়ে কথা বলতে হবে এবং তার প্রতিশ্রুতিতে ফিরে আসতে হবে।”
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শুক্রবার এক টুইটার বার্তায় বলেন, ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতির অংশ হিসেবে দেশটির নির্মাণ খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। যদি কোনো দেশ ইরানকে নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করে তাহলে সে দেশের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
মার্কিন সরকার ২০১৮ সালের মে মাসে ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে একতরফাভাবে বেরিয়ে যায় এবং ঘোষণা দিয়ে তেহরানের ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের নীতি গ্রহণ করে। আমেরিকার এই অন্যায় নীতি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী চলতি বছরের গোড়ার দিকে এক ভাষণে বলেছেন, তার দেশের ওপর আমেরিকার বর্তমান নিষেধাজ্ঞা ইতিহাসে নজিরবিহীন। তবে তিনি একথাও বলেন, ইরান এই নিষেধাজ্ঞাকে ব্যর্থ করে আমেরিকাকে এমন শিক্ষা দেবে যে, তাও হবে ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা।#
পার্সটুডে/এমএমআই/৩
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।