নয়া স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের কেন্দ্র প্রস্তুত করা হচ্ছে: ইরানের প্রযুক্তিমন্ত্রী
-
ইরানের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের একটি কেন্দ্র
ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ অযারি জাহরোমি বলেছেন, নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি অত্যাধুনিক কৃত্রিম উপগ্রহ 'জাফার' মহাকাশে উৎক্ষেপণের জন্য পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। এটি উৎক্ষেপণের জন্য এখন ইমাম খোমেনী (রহ.) কেন্দ্র প্রস্তুত করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, জাফার উপগ্রহের পর আরও পাঁচটি কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করা হবে এবং এ জন্যও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
ইরানি বিজ্ঞানীদের দেড় বছরের প্রচেষ্টায় 'জাফার' স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণের জন্য পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে। ৯০ কেজি ওজনের এই কৃত্রিম উপগ্রহে রয়েছে চারটি কালার ক্যামেরা। এসব ক্যামেরা ভূপৃষ্ঠের ছবি ধারণ করে তা সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠাবে।
গত বছর জানুয়ারিতে ইরানের তৈরি পায়াম স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণ কারিগরী সমস্যার কারণে ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যায়ে স্যাটেলাইটটি কক্ষপথে পৌঁছাতে পারেনি। নতুন জাফার স্যাটেলাইটটি আকার ও ওজনের দিক থেকে পায়াম স্যাটেলাইটের মতো হলেও এতে নতুন কিছু বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়েছে। জাফার স্যাটেলাইটের ইমেজ রেজ্যুলেশন হচ্ছে ৮০ মিটার।
ইরান ২০০৯ সালে প্রথম উমিদ বা আশা নামের কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠায়। ইরানি বিজ্ঞানীরা নিজেরাই এটি তৈরি করেন। এরপর ২০১০ সালে প্রাণীবাহী মহাকাশযান মহাকাশে পাঠায় তেহরান। এ মহাকাশযান পাঠানোর জন্য কাভেশগার বা অভিযাত্রী-৩ নামের রকেট ব্যবহার করা হয়।
এ ছাড়া, ২০১৫ সালে ফজর বা উষা নামে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠিয়েছে ইরান। এটি উঁচুমানের ছবি ধারণ করে পৃথিবীতে পাঠাচ্ছে।#
পার্সটুডে/এসএ/২৮
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।