ইরান ইরাকের সরকার ও জনগণের পাশে থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী জারিফ
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i79694-ইরান_ইরাকের_সরকার_ও_জনগণের_পাশে_থাকবে_পররাষ্ট্রমন্ত্রী_জারিফ
ইসলামি ইরান ইরাকের নতুন প্রধানমন্ত্রী মোস্তফা কাজেমির নেতৃত্বাধীন সরকারকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে। এ শুভেচ্ছা জানানো থেকে প্রতিবেশী হিসেবে ইরানের জন্য ইরাকের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার গুরুত্ব ফুটে ওঠে। ইরাকে গত পাঁচ মাস ধরে চলে আসা রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে গত বুধবার সংসদে অনুষ্ঠিত আস্থাভোটে মোস্তফা আল কাজেমি’র নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা জয়লাভ করার পর পূর্বাঞ্চলীয় প্রতিবেশী প্রথম দেশ হিসেবে ইরানই প্রথম স্বাগত জানালো।
(last modified 2026-04-19T07:31:14+00:00 )
মে ০৮, ২০২০ ১১:৩২ Asia/Dhaka
  • ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ
    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ

ইসলামি ইরান ইরাকের নতুন প্রধানমন্ত্রী মোস্তফা কাজেমির নেতৃত্বাধীন সরকারকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে। এ শুভেচ্ছা জানানো থেকে প্রতিবেশী হিসেবে ইরানের জন্য ইরাকের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার গুরুত্ব ফুটে ওঠে। ইরাকে গত পাঁচ মাস ধরে চলে আসা রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে গত বুধবার সংসদে অনুষ্ঠিত আস্থাভোটে মোস্তফা আল কাজেমি’র নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা জয়লাভ করার পর পূর্বাঞ্চলীয় প্রতিবেশী প্রথম দেশ হিসেবে ইরানই প্রথম স্বাগত জানালো।

ইরান সবসময়ই ইরাকের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সমর্থন এবং নির্বাচনে ইরাকের জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আসছে। ইরানের  এ নীতি থেকে সৎ প্রতিবেশীসুলভ আচরণ এবং অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার বিষয়টি ফুটে ওঠে। ইরান চায় প্রতিবেশী সব দেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও সুসম্পর্ক বজায় রাখতে। ইরাক ও ইরানের মধ্যে অভিন্ন সংস্কৃতি, ভাষা, ধর্ম ও সীমান্ত রয়েছে যা দুদেশের সম্পর্ককে আরো ঘনিষ্ঠ করেছে। প্রতিবছর লাখ লাখ ইরানি জিয়ারতকারী ইরাকে যায় এবং ইরাক থেকেও বহু জিয়ারতকারী ইরানে আসে। এ থেকে দুই জাতির মধ্যে অভিন্ন সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বন্ধনের বিষয়টি ফুটে ওঠে। এ কারণে ইরাকের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ইরানের জন্য এতোটা গুরুত্বপূর্ণ।

অনেক বিলম্বের পর ইরাকে নতুন সরকার গঠিত হওয়ার সাথে সাথে ইরান তাদেরকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ ইরাকে নতুন সরকার গঠিত হওয়ায় সেদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, ইসলামি ইরান ইরাকের জনগণের পাশে আছে এবং নির্বাচিত সরকারের প্রতি সমর্থন বজায়  থাকবে। এ অঞ্চলের ভৌগোলিক দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী দেশ হিসেবে ইরান সবসময়ই ইরাকের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে নিজের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বলে মনে করে। দায়েশ বা আইএস সন্ত্রাসীরা যখন ইরাকের বহু জায়গা দখল করে নিয়ে হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছিল তখন ইরান ইরাকের সরকার ও সেনাবাহিনীর পাশে এসে দাঁড়ায়।

বর্তমানে অতীতের যে কোনো সময়ের চাইতে ইরান ও ইরাকের সম্পর্ক অনেক  ঘনিষ্ঠ ও আন্তরিক। নিরাপত্তা ছাড়াও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও দু'দেশের মধ্যে সহযোগিতা বজায় রয়েছে। ইরাকের অর্থনৈতিক দুর্দিনেও ইরান পাশে এসে দাঁড়িয়েছে এবং ইরাকি জনগণের জরুরি পণ্যের চাহিদা মেটাচ্ছে। ইরাকের প্রেসিডেন্ট বারহাম সালেহ তেহরান-বাগদাদ সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছেন, 'ইরান হচ্ছে ইরাকের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী দেশ এবং দুই দেশের রয়েছে অভিন্ন সীমান্ত। তাই ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখা ইরাকের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।'#

পার্সটুডে/রেজওয়ান হোসেন/৮