ইরানের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মার্কিন অভিযোগের পুনরাবৃত্তির নানা লক্ষ্য
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i99800-ইরানের_বিরুদ্ধে_ভিত্তিহীন_মার্কিন_অভিযোগের_পুনরাবৃত্তির_নানা_লক্ষ্য
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্টনি ব্লিংকেন ইরানের বিরুদ্ধে আবারও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছেন।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
নভেম্বর ০৯, ২০২১ ১৬:৫৬ Asia/Dhaka

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্টনি ব্লিংকেন ইরানের বিরুদ্ধে আবারও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছেন।

তিনি সম্প্রতি তার ভাষায় 'সন্ত্রাসবাদের প্রতি ইরানের সহায়তা', দেশটির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচী ও মার্কিন নাগরিকসহ বিদেশী নাগরিকদের অন্যায়ভাবে আটকের বিষয়ে তার 'গভীর উদ্বেগ'-এর কথা জানিয়েছেন।

ইরানে ইসলামী বিপ্লবের পর থেকেই ইসলামী এই দেশটির বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রচার করে আসছে মার্কিন সরকার। ২০১৫ সালে  ইরানের সঙ্গে ছয় বৃহৎ-শক্তি পরমাণু সমঝোতা স্বাক্ষর করে এবং তা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সমর্থন লাভ করে। কিন্তু ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন সরকার ২০১৮ সালে পরমাণু সমঝোতা থেকে একতরফাভাবে বেরিয়ে গিয়েছিল মূলত ওই সমঝোতায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে অন্তর্ভুক্ত করতে না পারার ও দেশটির আঞ্চলিক তৎপরতায় বাধা দিতে না পারার কারণে।  

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাইডেনের সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রেসিডেন্ট বাইডেন দাবি করেছেন যে তিনি পরমাণু সমঝোতায় ফিরতে চান। কিন্তু ভিয়েনায় এ নিয়ে ছয় দফা আলোচনা অনুষ্ঠানের পরও কোনো সমঝোতা হয়নি দুই পক্ষের মধ্যে। ইরানের ওপর চাপ ও নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রাখার কারণেই এই অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। মার্কিন সরকার এই আলোচনায় ইরানের আঞ্চলিক তৎপরতা ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকেও যুক্ত করতে চায় বলে বার বার আলোচনা ব্যর্থ হচ্ছে। 

মার্কিন সরকার ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার ওয়াদা দিলেও তা বাস্তবায়ন করেনি। এখন আবার পুরনো সমঝোতা বাস্তবায়নের বিষয়ে না শর্ত জুড়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। আসলে মার্কিন সরকার ও তার ইউরোপিয় মিত্ররা পরমাণু সমঝোতার নামে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও অন্যান্য তৎপরতাকেও সীমিত করতে চায়। 

ইরান বলছে, পরমাণু সমঝোতায় ফিরতে হলে প্রতিশ্রুত সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে এবং আবারও চুক্তি থেকে বেরিয়ে না যাওয়ার বিষয়ে গ্যারান্টি দিতে হবে। এ ছাড়াও পরমাণু বহির্ভূত কোনো বিষয়ে ইরান কোনো আলোচনাই করবে না। ইরানের প্রতিরক্ষা ক্ষমতার বিষয়ে কোনো দেশই মন্তব্য করার অধিকার রাখে না বলে ইরানের কর্মকর্তারা উল্লেখ করে আসছেন। #

পার্সটুডে/এমএএইচ/৯