‘রেডিও তেহরান নামটি শুনলেই হৃদয়ে স্পন্দন জাগে, ভালো লাগে রংধনু আসর’
সুপ্রিয় মহোদয়, সালাম ও শুভেচ্ছা জানবেন। রেডিও তেহরান নামটি শুনলেই চোখে ভেসে ওঠে বঙ্গোপসাগর থেকে পারস্য উপসাগরের স্বচ্ছ জলের ঢেউয়ের পরে ঢেউ আচড়ে পড়ার অপরূপ দৃশ্য; ছলাৎছলাৎ উর্মিরাশির মনোমুগ্ধকর শব্দ কানে মন্ত্রমুগ্ধের মতো বাজতে থাকে। নিমিষেই মন ছুটে যায় কেশম্ দ্বীপের হারা' বনাঞ্চলের সবুজের সমারোহে। রেডিও তেহরান নামটি শুনলেই হৃদয়ে স্পন্দন জাগে। ভালোলাগার এক অপূর্ব দোলাচলে মন হারিয়ে যায় নব আনন্দে।
গত ১৪ জানুয়ারি প্রচারিত রংধনু আসরটি ছিল অন্যান্য অনুষ্ঠান থেকে সম্পুর্ণ ব্যতিক্রমী। পশুপাখীদেরকে নিয়ে ভিন্ন ধারার গল্পটি শুনে মুগ্ধ হয়েছি। দয়ালু বুড়ী মা ও পশুপাখিদের গল্প থেকে উপলব্ধি করতে পারলাম যে, ভালোবাসা ও আন্তরিকতা থাকলে অনেক ছোট জায়গাতেও অনেকেই বাস করতে পারে।
এর আগে গত ৭ জানুয়ারি তারিখে প্রচারিত রংধনু আসরটিও ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রেডিও তেহরান থেকে প্রচারিত সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান ‘রংধনু’ আসরটি মুলত শিশুকিশোর বন্ধুদের জন্যে হলেও সেদিনের ‘রংধনুর’ পানির কুপ খননের গল্পের আবহ কথাগুলো ছিল খুবই বাস্তব ও সময়োপযোগী। লোভী, দখলদার রাষ্ট্রগুলো পানির সুষম বণ্টন প্রক্রিয়া না মেনে কিছু দেশ ও মানুষকে ক্ষতির মুখে ফেলছে। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে পানির ন্যায্য হিস্যা হওয়া খুবই জরুরি- একথা সেদিনের রংধনুর আসর শুনে উপলব্ধি করতে পেরেছি।
মূল গল্পে পুণ্যবান ভদ্রলোক কর্তৃক কুপ খনন ও শ্রমিকদের নিরাশ হওয়া শেষে পুনরায়; পানির দেখা পাওয়ার গল্পটিতে মহান আল্লাহর তা'য়ালার প্রতি পূর্ণ আস্থাশীল হলে পরে যে, সুফল পাওয়া যায়- একথাটি স্পষ্ট ভাবে ফুটে ওঠেছে।
তো, সাবলীলভাবে অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করার জন্য সোহেল আহমেদ ভাইয়া ও আক্তার জাহান আপুকে ধন্যবাদ। সেইসাথে রংধনু ও প্রিয়জন অনুষ্ঠানের মূল কারিগর জনাব আশরাফুর রহমানকে ধন্যবাদ ও সালাম জানিয়ে আজ এ পর্যন্তই ইতি টানছি। ধন্যবাদান্তে,
হারুন অর রশীদ
সভাপতি, জাগো রেডিও লিসেনার্স ক্লাব।
গ্রামঃ পূর্ব নলছিয়া, পোঃ বিনোদটঙ্গী
থানাঃ মাদারগঞ্জ, জেলাঃ জামালপুর-২০১০
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৬
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।