সৌদির আরামকো ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ইয়েমেনের ব্যাপক হামলা
-
ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারিয়ি
পার্সটুডে: ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারিয়ি জানিয়েছেন,সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনি বাহিনী। এর মধ্যে রয়েছে আরামকোর স্থাপনা, জিজানের অর্থনৈতিক নগরী এবং খামিস মুশাইতের কিং খালিদ বিমানঘাঁটি।
ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনার বরাতে পার্সটুডি জানিয়েছে, মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ইয়াহিয়া সারিয়ি বলেন, গত ১২ বছর ধরে সৌদি নেতৃত্বাধীন আগ্রাসন ও অবরোধের শিকার হয়ে আসছে ইয়েমেনের জনগণ। গত তিন দিনেই সৌদি আরব ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় ১২১টি বিমান হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় মারিব, আল-বাইদা, হোদেইদা, তাইজ ও আল-জাওফ প্রদেশকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এসব হামলার জবাবে এবং ‘ব্যাপক উত্তেজনার জবাবে ব্যাপক উত্তেজনা’ নীতির আওতায় ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী একটি বড় ও বিশেষ সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে। এতে আবহা ও নাজরানে আরামকোর স্থাপনা,জিজানের অর্থনৈতিক নগরী ও আরামকো এবং খামিস মুশাইতের বিমানঘাঁটিতে কয়েক ডজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়।
ইয়াহিয়া সারিয়ির দাবি, হামলাগুলো নির্ভুলভাবে পরিচালিত হয়েছে এবং এসব স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, চলমান উত্তেজনার জন্য সৌদি আরবই দায়ী। ইয়েমেন ও দেশটির জনগণের বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়া হবে এবং সৌদি আরবের বিরুদ্ধে আরও তীব্র ও ব্যাপক হামলা চালাতে ইয়েমেন দ্বিধা করবে না। বিবৃতিতে বলা হয়, সৌদি আরবের সামরিক তৎপরতা, আগ্রাসন ও সামরিক সরঞ্জাম ইয়েমেনের জনগণকে ভীত করতে পারবে না কিংবা তাদের সংকল্প ভেঙে দিতে পারবে না। বরং যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইয়েমেন আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
এদিকে সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মঙ্গলবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে জ্বালানি অবকাঠামো হামলার শিকার হয়েছে। এতে আগুন ধরে যায় এবং কয়েকটি কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়।
পার্সটুডে/এমবিএ/৮
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।