তুরস্কে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের বার্ষিকীতে ‘সংহতি সমাবেশ’
-
লাখো জনতার সমাবেশ
তুরস্কে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের বার্ষিকীতে ঐতিহাসিক ইস্তাম্বুল শহরে বিশাল সংহতি সমাবেশ হয়েছে। রাজধানী আংকারাসহ বহু শহরে এ ধরনের সমাবেশ হয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট রজব এরদোগান একে জাতীয় সংহতি সমাবেশ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
গত বছরের ১৫ জুলাই তুর্কি সামরিক বাহিনী অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা চালায়। ওই ঘটনার বার্ষিকীতে গতকাল ইস্তাম্বুলসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লাখ লাখ মানুষ সমাবেশে অংশ নেয়। তারা সবাই ‘১৫ জুলাই শহীদ ব্রিজ’ এ গিয়ে জড়ো হয়। এর আগে এ ব্রিজের নাম ছিল বসফরাস ব্রিজ। গত বছর তিনটি ট্যাংক নিয়ে সেনাবাহিনীর কিছু কর্মকর্তা সরকার উৎখাতের চেষ্টা করলে এখানেই তাদেরকে আটক করা হয়। ওই ঘটনায় সব মিলিয়ে ২২০ জন নিহত হন। অভ্যুত্থানকারী সেনাদের অনেকেই আটক হন।
গতকালের সমাবেশ উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট এরদোগান সকালেই হেলিকপ্টারে করে ইস্তাম্বুল শহরে পৌঁছান এবং সমাবেশের সময় তিনি সেখানে নিহতদের নাম সংবলিত একটি ফলক উন্মোচন করেন। তিনি বলেন, সেনা অভ্যুত্থান ঠেকানোর জন্য যারা জীবন দিয়েছেন তারাই প্রকৃত দেশপ্রেমিক। প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইলদিরিমও রাজধানী আংকারায় দিনের প্রথম ভাগে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে দেয়া বক্তৃতায় একই কথা বলেছেন।
গত বছরের ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে তুরস্কে ব্যাপক ধরপাকড় ও চাকরিচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনযায়ী, এ পর্যন্ত তুরস্কে ৫০ হাজার ব্যক্তিকে আটক ও এক লাখ ১০ হাজারের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারিকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এরদোগান এ ঘটনার জন্য আমেরিকায় নির্বাসিত বিরোধী ও ধর্মীয় নেতা ফতেহউল্লাহ গুলেনকে দায়ী করে আসছেন।#
পার্সটুডে/সিরাজুল ইসলাম/১৬