ইয়েমেনে গণ-বিপ্লবের তৃতীয় বার্ষিকীতে সানায় লাখ লাখ মানুষের সমাবেশ
ইয়েমেনে আজ (বৃহস্পতিবার) পালন করা হচ্ছে একুশ সেপ্টেম্বর গণ-বিপ্লবের তৃতীয় বার্ষিকী। এ উপলক্ষে রাজধানী সানায় লাখ লাখ নাগরিক সমবেত হয় এবং তারা যোগ দেন বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায়।
ইয়েমেনিরা এই দেশটির ওপর সৌদি আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি সানার বিপ্লবী সরকার ও সৌদি আগ্রাসনের মোকাবেলায় রুখে-দাঁড়ানো ইয়েমেনি বাহিনীগুলোর প্রতি তাদের দৃঢ় সমর্থনের প্রতিজ্ঞা নবায়ন করেন। আগ্রাসী সংযুক্ত আরব আমিরাতের সেনাদের কাছ থেকে দখল করা সাঁজোয়া যানের একটি বহরও জনগণের সামনে প্রদর্শন করা হয়।
আজ সকাল থেকেই বিপ্লব-বার্ষিকী উদযাপন করতে দলে দলে সানায় আসছিলেন ইয়েমেনি জনগণ। সানায় কোনো কার্যকর সরকার না থাকার প্রেক্ষাপটে ২০১৪ সালের এই দিনে জনপ্রিয় আনসারুল্লাহ আন্দোলন রাজধানী সানার সব কিছুর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছিল। আনসারুল্লাহ আন্দোলন কার্যকর সরকার গঠনের জন্য নির্দিষ্ট সময় বেধে দেয়া সত্ত্বেও ওই সময়ের মধ্যে কোনো কার্যকর সরকারের উপস্থিতি দেখা যায়নি। ফলে ক্ষমতার শূন্যতা পূরণে এগিয়ে আসে আনসারুল্লাহ।
আনসারুল্লাহর এই বিপ্লবের পর সৌদি-আরবের মদদপুষ্ট ইয়েমেনি প্রেসিডেন্ট আবদে রাবুহ মানসুর হাদি পদত্যাগ করেন। শিয়া হুথি মুসলমানদের নেতৃত্বাধীন আনসারুল্লাহ এই পদক্ষেপ পুনর্বিবেচনা করতে হাদির প্রতি আহ্বান জানান। কিন্তু হাদি তা প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর তিনি পালিয়ে যান সৌদি আরবে। এরপর হাদিকে পুনরায় ক্ষমতায় বসানোর অজুহাত দেখিয়ে ২০১৫ সালের মার্চ মাসে সৌদি ও তার কিছু মিত্র সরকার ইয়েমেনে হামলা শুরু করে।
আনসারুল্লাহর এই বিপ্লবের পর সৌদি-আরবের মদদপুষ্ট ইয়েমেনি প্রেসিডেন্ট আবদে রাবুহ মানসুর হাদি পদত্যাগ করেন। শিয়া হুথি মুসলমানদের নেতৃত্বাধীন আনসারুল্লাহ এই পদক্ষেপ পুনর্বিবেচনা করতে হাদির প্রতি আহ্বান জানান। কিন্তু হাদি তা প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর তিনি পালিয়ে যান সৌদি আরবে। এরপর হাদিকে পুনরায় ক্ষমতায় বসানোর অজুহাত দেখিয়ে ২০১৫ সালের মার্চ মাসে সৌদি ও তার কিছু মিত্র সরকার ইয়েমেনে হামলা শুরু করে। সৌদি জোটের নির্বিচার বিমান হামলায় দরিদ্র ইয়েমেনের অবকাঠামোর বেশিরভাগই ক্ষতিগ্রস্ত অথবা ধ্বংস হয়ে গেছে। নিহত হয়েছে হাজার হাজার শিশু ও নারীসহ প্রায় ১২ হাজার বেসামরিক নাগরিক। লাখ লাখ মানুষ হয়েছে গৃহহারা। #
পার্সটুডে/এমএএইচ/২১