ইরান আক্রান্ত হলে রাশিয়া সামরিক সহায়তা দিতে পারে: মস্কোর ঘোষণা
https://parstoday.ir/bn/news/world-i154488-ইরান_আক্রান্ত_হলে_রাশিয়া_সামরিক_সহায়তা_দিতে_পারে_মস্কোর_ঘোষণা
পার্সটুডে : রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, মস্কো ও তেহরানের সম্পর্ক 'ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি'র ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। একইসঙ্গে তিনি রাশিয়ার সীমান্তে ইউরোপ ও ন্যাটোর সামরিককরণ বৃদ্ধির সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ইউরোপ ইউক্রেনের শান্তি প্রচেষ্টায় বাধা সৃষ্টি করে 'যুদ্ধকামী' হিসেবে নিজেদের অবস্থান বজায় রেখেছে।
(last modified 2025-11-28T13:59:29+00:00 )
নভেম্বর ২৮, ২০২৫ ১৫:১৩ Asia/Dhaka
  • মারিয়া জাখারোভা
    মারিয়া জাখারোভা

পার্সটুডে : রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, মস্কো ও তেহরানের সম্পর্ক 'ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি'র ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। একইসঙ্গে তিনি রাশিয়ার সীমান্তে ইউরোপ ও ন্যাটোর সামরিককরণ বৃদ্ধির সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ইউরোপ ইউক্রেনের শান্তি প্রচেষ্টায় বাধা সৃষ্টি করে 'যুদ্ধকামী' হিসেবে নিজেদের অবস্থান বজায় রেখেছে।

পার্সটুডে জানিয়েছে, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র বা তার মিত্ররা ইরানের ওপর আক্রমণ করে, তবে রাশিয়া ইরানকে সামরিক সহায়তা প্রদান করতে পারে। তিনি আরও বলেন, দুই দেশের সব ধরনের সহযোগিতা 'কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি'র আওতায় নির্ধারিত হয়। জাখারোভা বলেন, এই চুক্তি দুটি দেশের মধ্যে সামরিক এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ প্রদান করে এবং এ ধরনের সহযোগিতা বাস্তবায়নের জন্য এটি একটি মৌলিক ভিত্তি।

ইউক্রেন যুদ্ধ সংক্রান্ত আলোচনার বিষয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগানের প্রস্তাব সম্পর্কে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, যেকোনো উদ্যোগ যা রাজনৈতিক, কূটনৈতিক বা মানবিক সমাধানে সহায়ক হবে, তা মস্কোর কাছে গুরুত্বপুর্ণ। রাশিয়া সব সময় অন্য দেশগুলোর উদ্যোগকে স্বাগত জানায়।

জাখারোভা ইউরোপীয় দেশগুলোকে ইউক্রেন সংকটের সমাধান খোঁজার পথে  'উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রতিবন্ধক' হিসেবে অভিযুক্ত করে বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখনও রাশিয়াকে কৌশলভাবে পরাজিত করার চেষ্টা করছে এবং এই পথে ইউক্রেনকে চাপ সৃষ্টির একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।

তিনি আরও বলেন, যদি ইউরোপীয় দেশগুলো সত্যিই শান্তি চায়, তবে তারা মিনস্ক চুক্তি লঙ্ঘন করতো না এবং ২০২২ সালের কিয়েভ-মস্কো আলোচনাগুলোর বিরুদ্ধে  কাজ করতো না।

জাখারোভা ইউরোপ ও ন্যাটোকে 'যুদ্ধকামী' হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এই দেশগুলো কিয়েভে ব্যাপক অস্ত্র ও আর্থিক সহায়তা পাঠিয়ে সহিংসতা অব্যাহত রাখতে সাহায্য করছে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র পূর্ব ইউরোপে সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি এবং সরঞ্জাম স্থানান্তরের অবকাঠামো তৈরির জন্য ইউরোপীয় কমিশনের সিদ্ধান্তকে ব্রাসেলসের রাশিয়া-বিরোধী নীতির অংশ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, মস্কো তার সীমান্তের কাছে সামরিক কর্মকাণ্ডের প্রতি গভীরভাবে নজর রাখছে এবং এটি তাদের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় বিবেচনায় নেওয়া হবে।#

পার্সটুডে/এমএআর/২৭