ইরানের সাথে আলোচনা ইস্যুতে ট্রাম্প মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক ডেকেছেন
https://parstoday.ir/bn/news/world-i159714-ইরানের_সাথে_আলোচনা_ইস্যুতে_ট্রাম্প_মন্ত্রিসভার_জরুরি_বৈঠক_ডেকেছেন
পার্সটুডে- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। কারণ ইরানের সঙ্গে আলোচনা একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।
(last modified 2026-05-27T06:56:01+00:00 )
মে ২৭, ২০২৬ ১২:৫২ Asia/Dhaka
  •  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

পার্সটুডে- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। কারণ ইরানের সঙ্গে আলোচনা একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।

ইরনার বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে, ওয়াশিংটন ও তেহরান মূলত একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে দাবি করার মাত্র কয়েকদিন পরেই ট্রাম্প এখন আলোচনা শেষ করার চেষ্টা করছেন, যা এখনও অনিশ্চয়তা এবং গুরুতর মতবিরোধে পরিপূর্ণ।

এই চুক্তিটি কিছু রিপাবলিকানের কাছ থেকে মার্কিন সরকার তীব্র বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছে। টেড ক্রুজ, লিন্ডসে গ্রাহাম এবং রজার উইকারের মতো সিনেটররা মনে করেন, চুক্তির শর্তগুলো তেহরানের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক এবং এটি ওবামা আমলের পারমাণবিক চুক্তির সঙ্গে অনেকটাই সাদৃশ্যপূর্ণ, যে চুক্তি থেকে ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে সরে এসেছিলেন। ক্রুজ সতর্ক করেছেন, যদি এই যুদ্ধের ফলে ইরান সরকার ক্ষমতায় থেকে যায়, আরও অর্থ পায় এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ অব্যাহত রাখে, তবে তা হবে একটি মারাত্মক ভুল।

আরেকটি অমীমাংসিত বিষয় হলো লেবাননের হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধ। ইরান জোর দিয়ে বলছে, যেকোনো যুদ্ধবিরতিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, কিন্তু ইসরায়েল বলেছে তারা হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত রাখবে। ইসরায়েলি বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছে বলেছেন, নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হলে ইরান তার সামরিক শক্তি পুনর্গঠনের সুযোগ পেতে পারে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ২৩ মে দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি চুক্তি প্রস্তুত করা হয়েছে এবং তা এখন চূড়ান্তকরণের অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি আরও বলেন, চুক্তির চূড়ান্ত দিক ও বিস্তারিত বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং শীঘ্রই তা ঘোষণা করা হবে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি জানিয়েছেন, উভয় পক্ষ একটি সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে, যার মূল লক্ষ্য হলো যুদ্ধের অবসান ঘটানো।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, মার্কিন নৌ আগ্রাসনের অবসান ঘটানো, যাকে ওয়াশিংটন নৌ অবরোধ বলে অভিহিত করেছে এবং জব্দকৃত ইরানি সম্পদ মুক্ত করা- এগুলোই সমঝোতা স্মারকে আলোচিত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম।

এদিকে, গত সপ্তাহে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের কমান্ডার মেজর জেনারেল আলী আবদুল্লাহি যুক্তরাষ্ট্র ও তার ইসরায়েলি মিত্রদের প্রতি একটি কঠোর সতর্কবার্তা জারি করেছেন এবং যেকোনো হুমকি মোকাবেলায় ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর অভূতপূর্ব প্রস্তুতির ওপর জোর দিয়েছেন।#

পার্সটুডে/এমআরএইচ/২৭

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।