ইহুদিবাদী নৃশংসতার শিকার জাতিসংঘ ও জর্দানে ফিলিস্তিনি-নিধনে জিয়াউল হক
৬৮ বছর আগে ১৯৪৮ সালের এই দিনে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হয়েছিলেন জাতিসংঘের মধ্যস্থতাকারী দূত ফোক বার্নাদোতি। বায়তুল মোকাদ্দাস শহরে নিহত হয়েছিলেন ফোক।
ফিলিস্তিন সংকটের ব্যাপারে জাতিসংঘের প্রস্তাব উত্থাপন করার দায়িত্ব পেয়েছিলেন মিস্টার ফোক। ফিলিস্তিনের ওপর চাপিয়ে দেয়া ইসরাইলের প্রথম যুদ্ধ বন্ধ করা ছিল তার দূতিয়ালির আরেকটি লক্ষ্য। কিন্তু এইসব দায়িত্ব পালনে সফল হওয়ার আগেই ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যা করে।
** আজ থেকে ৪৬ বছর আগে ১৯৭০ সালের এই দিনে জর্দানের বাদশাহ হোসেনের নির্দেশে সেদেশে আশ্রয়-নেয়া ফিলিস্তিনিদের ওপর সামরিক অভিযান শুরু হয়।
বলা হয় পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়াউল হকের নেতৃত্বে পরিচালিত জর্দানি সশস্ত্র বাহিনীর এই অভিযানে হতাহত হয় হাজার হাজার ফিলিস্তিনি। জিয়াউল হক ছিলেন সে সময় আম্মানে পাকিস্তান দূতাবাসের সামরিক এট্যাচে। সাত বছর পর এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জিয়াউল হক পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোকে ক্ষমতাচ্যুত করেন ও এক বিচারের মাধ্যমে তাকে ফাঁসি দেন।
ফিলিস্তিনি সংগ্রামীরা যাতে জর্দান থেকে দখলদার ইসরাইলের ওপর হামলা চালাতে না পারে সে জন্যই মার্কিন সরকার ও ইহুদিবাদীদের আশীর্বাদপুষ্ট এবং তাদের অনুগত সেবাদাস বাদশাহ হোসেন ওই অভিযানের নির্দেশ দেন। (আজও মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল ও আমেরিকার সেবাদাস সরকারগুলো ইসরাইলের স্বার্থে মুসলিম ভাইদের বুকে প্রকাশ্যে বা অপ্রকাশ্যে ছুরি চালিয়ে যাচ্ছে।)
ফিলিস্তিনি ও জর্দানি সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের পর আম্মান সরকার লাখ লাখ ফিলিস্তিনি শরণার্থীকে জর্দান থেকে বের করে দেয়। #
পার্সটুডে/মু.আ. হুসাইন/১৭