কারফিউ ভেঙে বিক্ষোভ-মিছিল: উত্তাল আমেরিকার শার্লট শহর
https://parstoday.ir/bn/news/world-i20998-কারফিউ_ভেঙে_বিক্ষোভ_মিছিল_উত্তাল_আমেরিকার_শার্লট_শহর
আমেরিকার নর্থ ক্যারোলাইনার শার্লট শহরে সহিংস বিক্ষোভের মধ্যে কারফিউ জারি করেছেন মেয়র জেনিফার রবার্টস। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে এই কারফিউ কার্যকর হয়।
(last modified 2026-07-21T05:57:31+00:00 )
সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৬ ১৬:১৪ Asia/Dhaka
  • শার্লট শহরে বিক্ষোভ, পুলিশের অ্যাকশন
    শার্লট শহরে বিক্ষোভ, পুলিশের অ্যাকশন

আমেরিকার নর্থ ক্যারোলাইনার শার্লট শহরে সহিংস বিক্ষোভের মধ্যে কারফিউ জারি করেছেন মেয়র জেনিফার রবার্টস। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে এই কারফিউ কার্যকর হয়।

মঙ্গলবার পুলিশের গুলিতে কিথ ল্যামন্ট স্কট নামে এক আফ্রো-আমেরিকান নাগরিক নিহত হয়। তার পরিবারের দাবি- পুলিশ গুলি করার সময় স্কট নিরস্ত্র ছিল। এ ঘটনায় শত শত বিক্ষোভকারী শার্লট শহরে মিছিল বের করে করে। এদিকে স্কটের মৃত্যুর তৃতীয় দিনে বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিবাদ জানাতে বিক্ষোভকারীরা মিছিল বের করে এবং শার্লট পুলিশের মুখোমুখি হয়। এরইমধ্যে কারফিউ জারি করা হলো। তবে বিক্ষোভকারীরা কারফিউ অমান্য করে গত মধ্যরাতে রাস্তায় অবস্থান করে। পরবর্তীতে পুলিশ জানায়, প্রতিবাদ শান্তিপূর্ণ হলে কারফিউ জারি করা হবে না।

রাইফেল-সজ্জিত পুলিশ কর্মকর্তারা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখা কয়েকশ প্রতিবাদকারীর উপর রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।

মঙ্গলবার ৪৩ বছর বয়সী স্কটের মৃত্যুর ফলে কৃষ্ণাঙ্গ কর্মীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিবাদ করে ও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড বহন করে যাতে লেখা ছিল “আমাদের হত্যা করা বন্ধ করুন”, “প্রতিরোধ সুন্দর”। অনেক প্ল্যাকার্ডে  স্লোগান লেখা ছিল, “ন্যায়বিচার নেই, শান্তি নেই”।

স্কট হত্যার ঘটনা এমন একটি সময়ে ঘটল যখন বিচারবহির্ভূত আফ্রো-আমেরিকান হত্যাকাণ্ডের কারণে গত কয়েক মাস ধরে আমেরিকায় পুলিশ বিরোধী মনোভাব তুঙ্গে রয়েছে।

পুলিশ সহিংসতার হিসাব রাখা একটি সংগঠনের উপাত্ত অনুযায়ী, পুলিশ বিভাগের সামঞ্জস্যহীনতার কারণে ২০১৫ সালে ১,১৫০ জন পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে যাদের মধ্যে  কমপক্ষে ৩২১ জন আফ্রো-আমেরিকান।#

পার্সটুডে/সিরাজুল ইসলাম/২৩