তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিন: আমেরিকাকে চীন
https://parstoday.ir/bn/news/world-i27631-তাইওয়ানের_প্রেসিডেন্টের_ওপর_নিষেধাজ্ঞা_দিন_আমেরিকাকে_চীন
জানুয়ারিতে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েনের গুয়েতেমালা সফরের সময় তাকে আমেরিকায় ট্রানজিটের অনুমতি না দেয়ার জন্য আমেরিকার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে চীন। নিকারাগুয়া, গুয়েতেমালা এবং এল সালভাদর সফরের সময় সাই ইং নিউওয়র্কে ট্রানজিট নেয়ার পরিকল্পনা করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
ডিসেম্বর ০৬, ২০১৬ ২০:১৬ Asia/Dhaka
  • তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন (মাঝে)
    তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন (মাঝে)

জানুয়ারিতে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েনের গুয়েতেমালা সফরের সময় তাকে আমেরিকায় ট্রানজিটের অনুমতি না দেয়ার জন্য আমেরিকার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে চীন। নিকারাগুয়া, গুয়েতেমালা এবং এল সালভাদর সফরের সময় সাই ইং নিউওয়র্কে ট্রানজিট নেয়ার পরিকল্পনা করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

গুয়েতেমালার পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্লোস রাউল মোরাল নিশ্চিত করেছেন যে, জানুয়ারির ১১-১২ তারিখ এই সফর অনুষ্ঠিত হবে।

তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড বিবেচনা করে চীনের সঙ্গে একীভূতকরণের অপেক্ষায় রয়েছে বেইজিং। দ্বীপটির জন্য স্বাধীনতা নিয়ে আসে- এমন ইঙ্গিতমূলক যেকোনো পদক্ষেপ চীনা নেতাদের ক্ষুব্ধ করে।  

আমেরিকায় সাই ইংয়ের ট্রানজিটের সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, “বেইজিং আশা করে যে, আমেরিকা সাইকে ট্রানজিটের অনুমতি দেবে না এবং তাইওয়ান মুক্তি বাহিনীকে কোনো ভুল সংকেত পাঠাবে না।”

মন্ত্রণালয় আরো জানায়, “এক চীন নীতিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অভিন্নভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। সাই ইংয়ের প্রকৃত উদ্দেশ্য সুস্পষ্ট।”

ওয়াশিংটন ১৯৭৯ সালে  তাইওয়ানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং বেইজিংকে ‘এক চীনের’ মূল সরকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। তবে, আমেরিকা তাইওয়ানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মিত্র ও একমাত্র অস্ত্র সরবরাকারী দেশ হিসেবেই রয়ে গেছে।#

পার্সটুডে/সিরাজুল ইসলাম/৬