‘ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের চেষ্টায় তিন ইউরোপীয় দেশ’
https://parstoday.ir/bn/news/world-i54990-ইরানের_বিরুদ্ধে_নিষেধাজ্ঞা_আরোপের_চেষ্টায়_তিন_ইউরোপীয়_দেশ’
ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের চেষ্টা করছে বলে কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এটি বলেছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে তেহরানের কথিত হস্তক্ষেপের অজুহাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ’র কাছে ইরান বিরোধী নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে ওই তিন দেশ।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
মার্চ ২৯, ২০১৮ ০৪:১৫ Asia/Dhaka
  • ‘ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের চেষ্টায় তিন ইউরোপীয় দেশ’

ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের চেষ্টা করছে বলে কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এটি বলেছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে তেহরানের কথিত হস্তক্ষেপের অজুহাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ’র কাছে ইরান বিরোধী নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে ওই তিন দেশ।

এই প্রস্তাব পাস হওয়ার জন্য ইইউভুক্ত ২৮ দেশের সবগুলোর সমর্থন প্রয়োজন হবে। রয়টার্স জানিয়েছে, ইইউতে নিযুক্ত ইউরোপীয় দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতরা গতকাল (বুধবার) ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেছেন। আগামী ১৬ এপ্রিল ইইউ’র পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের আগে যাতে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব চূড়ান্ত করা যায় রাষ্ট্রদূতরা সে চেষ্টা করছেন বলে রয়টার্স জানিয়েছে।

এটি বলেছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন  দেশে পরিচালিত কার্যক্রমের জড়িত কর্মকর্তাদেরকে প্রস্তাবিত নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে।

ফেডেরিকা মোগেরিনি 

রয়টার্স এর আগেও এক খবরে জানিয়েছিল, ইরানের পরমাণু সমঝোতা বা জেসিপিওএ’তে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘ধরে রাখার স্বার্থে’ ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে ইইউ। তবে ওই খবর প্রকাশিত হওয়ার পর গত সোমবার ইইউ’র পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা ফেডেরিকা মোগেরিনি বলেছিলেন, ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কোনো পরিকল্পনা এই মুহূর্তে তার সংস্থার হাতে নেই।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করছেন, পাশ্চাত্যের সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতায় শুধুমাত্র তেহরানের স্বার্থ রক্ষিত হয়েছে। এ সমঝোতা থেকে তার ভাষায় আমেরিকাও যাতে উপকৃত হয় সেজন্য তিনি এটিতে পরিবর্তন আনার দাবি করছেন।

ট্রাম্প এমন সময় এ দাবি তুলেছেন, যখন দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে ধারাবাহিক আলোচনা ও বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গবেষণার পর ছয় জাতিগোষ্ঠী ইরানের সঙ্গে জেসিপিওএ সই করেছিল যার অন্যতম অংশীদার ছিল খোদা আমেরিকা।#

পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/২৯