দক্ষিণ চীন সাগরে আমেরিকার পরমাণু শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী
https://parstoday.ir/bn/news/world-i59602-দক্ষিণ_চীন_সাগরে_আমেরিকার_পরমাণু_শক্তিচালিত_বিমানবাহী_রণতরী
দক্ষিণ চীন সাগর অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে ফিলিপাইনে নোঙর করেছে মার্কিন পরমাণু শক্তিচালিত রণতরী ইউএসএস রোডাল্ড রিগান। চীনের সঙ্গে পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশের বিরোধপূর্ণ পানিসীমা অতিক্রম করে মঙ্গলবার ম্যানিলায় পৌঁছায় যুদ্ধজাহাজটি।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জুন ২৭, ২০১৮ ০১:৫৪ Asia/Dhaka
  • ম্যানিলা উপকূলে নোঙর করা মার্কিন রণতরী ইউএসএস রিগান (মঙ্গলবারের ছবি)
    ম্যানিলা উপকূলে নোঙর করা মার্কিন রণতরী ইউএসএস রিগান (মঙ্গলবারের ছবি)

দক্ষিণ চীন সাগর অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে ফিলিপাইনে নোঙর করেছে মার্কিন পরমাণু শক্তিচালিত রণতরী ইউএসএস রোডাল্ড রিগান। চীনের সঙ্গে পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশের বিরোধপূর্ণ পানিসীমা অতিক্রম করে মঙ্গলবার ম্যানিলায় পৌঁছায় যুদ্ধজাহাজটি।

মার্কিন রণতরীটির কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল মার্ক ড্যাল্টন বলেছেন, দক্ষিণ চীন সাগর অঞ্চলে আমেরিকার যে স্থায়ী উপস্থিতি রয়েছে সেকথা এ অঞ্চলের মিত্র দেশগুলোকে জানান দিতে তার জাহাজটি ম্যানিলায় নোঙর করেছে। তিনি রণতরীটিতে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এ অঞ্চলে নিয়মিত টহল দেয়ার যে প্রতিশ্রুতি আমেরিকা মিত্র দেশগুলোকে দিয়েছিল তা বাস্তবায়নে চারদিনের এ সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এ নিয়ে গত ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে ইউএসএস রোনাল্ড রিগান তৃতীয়বার ফিলিপাইনে নোঙর করল।

মঙ্গলবার রণতরীর মধ্যেই সংবাদ সম্মেলন করেন অ্যাডমিরাল মার্কিন ড্যাল্টন

দক্ষিণ চীন সাগরকে নিজের অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করে বেইজিং। কিন্তু এই সাগরের কিছু অংশের ওপর মালিকানা দাবি করছে ব্রনেই, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, তাইওয়ান ও ভিয়েতনাম। এই বিরোধে চীন বিরোধী দেশগুলোর পক্ষ নিয়ে তাদেরকে মিত্র দেশ বলে অভিহিত করছে আমেরিকা।

দক্ষিণ চীন সাগরে চীন সরকার যেসব কৃত্রিম অবকাঠামো নির্মাণ করছে তাকে অনুপযুক্ত বলে অভিহিত করছে ওয়াশিংটন। অন্যদিকে এ অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিকে উসকানি হিসেবে দেখছে বেইজিং। গতমাসে দক্ষিণ চীন সাগরের একটি কৃত্রিম দ্বীপে জঙ্গিবিমান মোতায়েন করেছে চীনা সেনাবাহিনী। পাশাপাশি আরেকটি দ্বীপে মোতায়েন করা হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র।#

পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/২৭