চীনে আগ্রাসন মাথায় রেখে প্রশান্ত মহাসাগরে মহড়া চালাল মার্কিন বিমান বাহিনী!
https://parstoday.ir/bn/news/world-i68151-চীনে_আগ্রাসন_মাথায়_রেখে_প্রশান্ত_মহাসাগরে_মহড়া_চালাল_মার্কিন_বিমান_বাহিনী!
মার্কিন বিমান বাহিনী সম্প্রতি প্রশান্ত মহাসাগরে ধারাবাহিক সামরিক মহড়া চালিয়েছে। চীনে আগ্রাসন চালানোর প্রস্তুতি হিসেবে এ সব মহড়া চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৯ ১০:০১ Asia/Dhaka
  • চীনে আগ্রাসন মাথায় রেখে প্রশান্ত মহাসাগরে মহড়া চালাল মার্কিন বিমান বাহিনী!

মার্কিন বিমান বাহিনী সম্প্রতি প্রশান্ত মহাসাগরে ধারাবাহিক সামরিক মহড়া চালিয়েছে। চীনে আগ্রাসন চালানোর প্রস্তুতি হিসেবে এ সব মহড়া চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মহড়ার প্রথম দিনে শত্রুর সম্ভব্য রাডার প্রতিরক্ষা ব্যূহ ভেদ করে ঢোকার  জন্য পেন্টাগন নামিয়েছে রাডারের চোখে অদৃশ্য হিসেবে কথিত স্টেলথ বিমান। 

মহড়ায় মার্কিন বিমান বাহিনীর এফ-২২, এফ-৩৫ এমনকি পরমাণু বোমা বহনে সক্ষম বি-২ স্পিরিট বোমারু বিমান ব্যবহার করা হয়েছে। মার্কিন বিমান বাহিনী এফ-২২ বিমান ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছে এবং এফ-৩৫ বিমানের নানা ত্রুটি রয়েছে। তারপরও এসব বিমানকে মহড়ায় নামানো হয়েছে।

মহড়ায় মার্কিন বিমানবাহী এবং উভচর আক্রমণের উপযোগী রণতরি ইউএসএস ওয়াসপের সহায়তা নেয়া হয়। মহড়ায় অংশগ্রহণকারী এফ-৩৫ বিমানের বাইরে অস্ত্র বহন করেছে। বিমানের ভেতরের চেয়ে বাইরে অস্ত্র বহন করলে তাতে ‘পেলোড হিসেবে পরিচিত অস্ত্রবহন সক্ষমতাও বাড়ে। অবশ্য, এতে শত্রু রাডারে এফ-৩৫ ধরা পড়ার আশংকা অনেকে বেড়ে যায়। পেন্টাগনের রণকৌশল অনুযায়ী, শত্রুর বিমান বিধ্বংসী ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেয়ার পর যুদ্ধের তৃতীয় দিনে এ ভাবে জঙ্গি বিমানকে নামানো হয়।

অন্যদিকে যুদ্ধের প্রথম দিনে এফ-২২ র‍্যাপটোরস বিমানকে ব্যবহারের অনুশীলন চালানো হয়। আর এতে ধারণা করা হচ্ছে, এফ-৩৫ বিমানের রাডার ফাঁকি দেয়ার সক্ষমতা হয়ত কাঙ্ক্ষিত মাত্রার নয়।

বি ২

 

 বি-২ বোমারু বিমান একদিকে মাধ্যাকর্ষণ চালিত পরমাণু বোমা ব্যবহার করতে পারে। পাশাপাশি বি-২ দিয়ে মার্কিন অস্ত্রাগারের সবচেয়ে বড় অ-পারমাণবিক বোমা জিবিইউ-৫৭ ব্যবহার করা যায়। যুদ্ধের প্রথম দিনে এ দুই বিমান বহর দিয়ে শত্রুর ওপর হামলা চালানো হয়। পেন্টাগনের ভাষায় ‘শত্রুর দরজা ভাঙ্গার কাজে এ দুই বিমান ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ শত্রুর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ফাটল সৃষ্টি করে সে তাকে তছনছ করে ভেতরে ঢুকে পড়াই হলো এ জাতীয় হামলার উদ্দেশ্য। 

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে যখন বেইজিং-ওয়াশিংটন টানাপড়েন তুঙ্গে তখন এ সব সামরিক মহড়া এবং অনুশীলন চালানো হলো। চীন এ এলাকায় পরমাণু বোমা বহনে সক্ষম বোমারু বিমান মোতায়েন করছে। পাশাপাশি মোতায়েন করছে ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং রাডার। এ ছাড়া, ‘রণতরি বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র মেরে মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ডুবিয়ে দেয়ার খোলাখুলি হুমকিও দিচ্ছে চীন।

পার্সটুডে/মূসা রেজা/১৬

খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন