ইকুয়েডরে ভূমিকম্প: ২৩৫ নিহত, আহত ১৫০০
https://parstoday.ir/bn/news/world-i7114-ইকুয়েডরে_ভূমিকম্প_২৩৫_নিহত_আহত_১৫০০
ইকুয়েডরে গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্পে অন্তত ২৩৫ ব্যক্তি নিহত এবং ১৫০০ বেশি আহত হয়েছে। প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্প বিধ্বস্ত দেশটির উপকূলীয় শহরগুলোতে ত্রাণ এবং উদ্ধারকর্মীরা মরিয়া হয়ে উদ্ধার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ কাজে নিরুপায় ব্যক্তিরা ট্রাক্টর এবং খালি হাত ভরসা করে এ তৎপরতা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
এপ্রিল ১৭, ২০১৬ ১৯:৪৩ Asia/Dhaka
  • ইকুয়েডরে ভূমিকম্প: ২৩৫ নিহত, আহত ১৫০০

ইকুয়েডরে গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্পে অন্তত ২৩৫ ব্যক্তি নিহত এবং ১৫০০ বেশি আহত হয়েছে। প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্প বিধ্বস্ত দেশটির উপকূলীয় শহরগুলোতে ত্রাণ এবং উদ্ধারকর্মীরা মরিয়া হয়ে উদ্ধার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ কাজে নিরুপায় ব্যক্তিরা ট্রাক্টর এবং খালি হাত ভরসা করে এ তৎপরতা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

শনিবার স্থানীয় সময় ১১টা ৫৮ মিনিটে ৭.৮ মাত্রার এ শক্তিশালী ভূমিকম্প ইকুয়েডরে আঘাত হেনেছিল। রাজধানী কিয়োটো থেকে ১০০ মাইলের বেশি দূরে ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল বলে জানিয়েছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ বা ইউএসজিএস। ভূমিকম্পের পর ওই এলাকায় ১৩৫টি দফা আফটার শক অনুভূত হয়েছে।

ভূমিকম্পের কারণে এক মিটার বা ৩.২ ফুট উচ্চতার সুনামি আঘাত হানতে পারে বলে সতর্কবার্তা দেয়া হলেও সৌভাগ্যক্রমে তা ফলে নি। সুনামি সতর্কতা তুলে নেয়া হলেও লোকজনকে উঁচু স্থানে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ধ্বংস্তুপের তলে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করাকে তাৎক্ষণিক ভাবে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে বলে টুইটার বার্তায় জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রাফেল কোরেরা। এদিকে, ইতালি সফর বাতিল করে তড়িঘড়ি দেশে ফিরে আসছেন তিনি।

ভূমিকম্পের পরই দেশটির ছয় প্রদেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা এবং জাতীয় গার্ড বাহিনীকে তলব করা হয়। প্রায় ১৩ হাজার নিরাপত্তা কর্মীকে মোতায়েন করা হয়েছে। ভূমিকম্পের উৎপত্তি স্থলের কাছাকাছি উপকূল সবচেয়ে মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পর্যটকদের প্রিয় উপকূলীয় শহর পেডারনালস সবচেয়ে মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোনো কোনো এলাকায় গোটা গ্রাম ধ্বংস হয়ে গেছে। এ ছাড়া, “ডজন ডজন” মানুষ মারা গেছে বলে জানিয়েছেন ওই এলাকার মেয়র।

এদিকে সরকার বলছে, জরুরি অবস্থা মোকাবেলায় বহুজাতিক মহাজনী সংস্থাগুলো তাৎক্ষণিক ভাবে ৬০ কোটি ডলার ঋণ দিয়েছে। ভেনিজুয়েলা এবং মেক্সিকো লোকবল এবং পণ্য সরবরাহ করেছে।

ভূতাত্ত্বিক দিক থেকে প্রশান্ত মহাসাগরের অস্থির অঞ্চলে ইকুয়েডরের অবস্থান হওয়ায় দেশটি মাঝে মাঝেই ভূমিকম্পের শিকারে পরিণত হয়। অশ্বখুরাকৃতির এ অঞ্চলটি কথিত অগ্নিবলয় নামে পরিচিত।

১৯৭৯ সালে দেশটির ভূমিকম্পে ৬০০ মানুষ নিহত এবং ২০ হাজার আহত হয়েছিল।#

মূসা রেজা/১৭