বিচারের বাণী যেন নীরবে নিভৃতে না কাঁদে: প্রধানমন্ত্রী
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ২৮ এপ্রিল রোববারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- মামলার জট নিয়ে উদ্বেগ প্রধান বিচারপতির-দৈনিক যুগান্তর
- হাঁটাচলা করেছেন ওবায়দুল কাদের, দেশে ফিরবেন শিগগিরই-দৈনিক ইত্তেফাক
- শপথ আটকাতে মরিয়া বিএনপি-দৈনিক প্রথম আলো
- বিচারের বাণী যেন নীরবে নিভৃতে না কাঁদে: প্রধানমন্ত্রী-দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন
- গৃহবধূ ছিনতাই করতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার যুবলীগ নেতা-দৈনিক মানবজমিন
- সাংবাদিকরা নজিরবিহীন নির্যাতনের শিকার : অধ্যাপক মুজিবুর রহমান-দৈনিক নয়া দিগন্ত
ভারতের শিরোনাম:
- সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তার লড়াই, রাহুলকে হারালেন মমতা-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মায়া, মমতা বা চন্দ্রবাবুকেই পছন্দ, রাহুলের নামই করলেন না শরদ-দৈনিক আনন্দবাজার
- রেকর্ড গরম কলকাতায়, পারদ আরও চড়বে-দৈনিক আজকাল
পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশের কয়েকটি খবরের দিকে নজর দেব।
শপথ আটকাতে মরিয়া বিএনপি-দৈনিক প্রথম আলো
বিএনপির আরও কয়েকজন সাংসদ আজ-কালের মধ্যে জাতীয় সংসদে যোগ দিতে পারেন বলে জোর গুঞ্জন চলছে। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, এ নিয়ে দলের ভেতরে ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। আর কোনো সাংসদ যাতে শপথ না নেন, সে জন্য নানাভাবে চেষ্টা চালাচ্ছেন দলের নীতিনির্ধারকেরা। বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, বিজয়ী ব্যক্তিরা যাতে শপথ নেন, সে জন্য সরকার নানাভাবে চাপ তৈরি করছে এবং তাঁদের নজরদারিতে রেখেছে। এ অবস্থায় বিএনপির নির্বাচিতদের সঙ্গে দলীয় নেতাদের যোগাযোগ করাও দুরূহ হয়ে পড়েছে। আবার বিজয়ী কেউ কেউ দলের শীর্ষ নেতাদের এড়িয়ে চলছেন।
খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে আটকে রাখা হয়েছে: মির্জা ফখরুল-দৈনিক যুগান্তর
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের বর্তমান সংকট আওয়ামী লীগের সৃষ্টি। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। রোববার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন- বিএফইউজের(একাংশ) বার্ষিক সাধারণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, অসুস্থ খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। আওয়ামী লীগ চাচ্ছে কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্টে তার মৃত্যু হোক। সে জন্য তার সঠিক চিকিৎসাও দেয়া হচ্ছে না।
বিচারের বাণী যেন নীরবে নিভৃতে না কাঁদে: প্রধানমন্ত্রী-দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে বিচারের বাণী যেন নীরবে নিভৃতে না কাঁদে। দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব যেমন বিচারকদের, তেমনি আইন পেশার সঙ্গে জড়িতদেরও। তাই মামলার দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে দ্রুততম সময়ে রায় দেয়ার উপায় বের করার দায়িত্ব দুপক্ষেরই।আজ সকালে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস ২০১৯-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা প্রধানমন্ত্রী।
মামলার জট নিয়ে উদ্বেগ প্রধান বিচারপতির-দৈনিক যুগান্তর
সুপ্রিমকোর্টে মামলার জট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। তিনি বলেছেন, সুপ্রিমকোর্টে বর্তমানে এত মামলা যে ফাইল রাখার জায়গা নেই। এক কথায় ক্রিটিক্যাল অবস্থা। এভাবে চলতে পারে না। এর সমাধান বের করতে হবে। রোববার সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চে একটি মামলার শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি এ কথা বলেন।এর আগে শনিবার সুপ্রিমকোর্টের অডিটরিয়ামে জুডিশিয়াল রিফর্ম কমিটি ও জার্মান ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন বাংলাদেশ (জিআইজেড) আয়োজিত দেশের মামলার বিচারসংক্রান্ত এক নিরীক্ষা প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। প্রতিবেদনটি প্রসঙ্গে মাহমুদ হোসেন বলেন, ডিআইজেডের উপস্থাপন করা সুপ্রিমকোর্টের মামলার নিরীক্ষা প্রতিবেদন দেখে আমি প্রায় বিব্রত। এত মামলা! এভাবে চলতে পারে না। তিনি বলেন, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি- মামলাজট নিরসন বিষয়ে সুপ্রিমকোর্টের সব বিচারপতিকে নিয়ে বসব। সবাইকে বলব যে, এ অবস্থায় কী করবেন, আপনারা দেখেন। প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, বর্তমানে সুপ্রিমকোর্টে প্রায় পাঁচ লাখ ২৫ হাজার মামলা বিচারাধীন।
হাঁটাচলা করেছেন ওবায়দুল কাদের, দেশে ফিরবেন শিগগিরই-দৈনিক ইত্তেফাক
সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। আজ রবিবার সকালে তার ভাড়া অ্যাপার্টমেন্টের পাশে ফাঁকা জায়গায় দীর্ঘক্ষণ হাঁটাচলা করেছেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শিগগিরই দেশে ফিরবেন বলেও জানা গেছে।
গৃহবধূ ছিনতাই করতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার যুবলীগ নেতা-দৈনিক মানবজমিন
সাটুরিয়ায় সংখ্যালঘু পরিবারের এক গৃহবধূকে ছিনতাই করতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন যুবলীগ নেতা আবদুল খালেক। গতকাল দুপুরে সাটুরিয়ার ভান্ডারীপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ৭ জন আহত হন। আহতদের সাটুরিয়া হাসপাতাল ও সাভারের এনাম মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সাটুরিয়া থানায় একটি মামলা করেছে সংখ্যালঘু পরিবার।
এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি
পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মায়া, মমতা বা চন্দ্রবাবুকেই পছন্দ, রাহুলের নামই করলেন না শরদ-দৈনিক আনন্দবাজার
রাহুল গাঁধী নন, পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর পছন্দের তালিকায় রয়েছেন তিন জন— তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু এবং মায়াবতী। এক সাক্ষাত্কারে এমনই জানালেন এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পওয়ার। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, এনডিএ যদি লোকসভা নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পায়, তা হলে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাকে বেশি পছন্দ করবেন? তখনই পওয়ার তাঁর এই তিন পছন্দের কথা অকপটে জানান। কেন এই তিন জনকেই বেছে নিলেন তিনি? এ বারও পওয়ারের স্পষ্ট জবাব, যে তিন জনকে তাঁর পছন্দের তালিকায় রেখেছেন তাঁদের প্রত্যেকেরই নিজ নিজ রাজ্যে সরকার চালানো এবং প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। আর সে কারণেই তাঁর পছন্দের তালিকায় মায়া-মমতা-নায়ডু!
রাজনৈতিক সুবিধার পাওয়ার জন্য নিজের সম্প্রদায়কে ‘ওবিসি’ গোষ্ঠীভুক্ত করেছিলেন মোদী: মায়াবতী-দৈনিক আনন্দবাজার
জাতপাতের রাজনীতি করার জন্য এবার নরেন্দ্র মোদীকে পাল্টা বিঁধলেন উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং বহুজন সমাজ পার্টির নেত্রী মায়াবতী।তাঁর দাবি, উচ্চবর্ণের হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্য নিজের সম্প্রদায়কে জোর করে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময়ই নরেন্দ্র মোদী এই কাজটি করেছিলেন বলে দাবি মায়াবতীর।
সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তার লড়াই, রাহুলকে হারালেন মমতা-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
জনতার ঢল তাঁর সঙ্গেই থাকে। তিনি নেত্রী হিসাবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর থেকে বাংলার জনতা তাঁর সঙ্গেই। গোচরে-অগোচরে। ফেসবুকে তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা ৩০ লক্ষের দোরগোড়ায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই জনপ্রিয়তায় হারিয়ে দিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকেও। রাহুলের নিজস্ব ফেসবুক পেজে একই সময়ে অর্থাৎ শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ফলোয়ার ২৮ লক্ষ ২৩ হাজারের কিছু বেশি। অন্য আরও কিছু অ্যাকাউন্ট থাকলেও এটিই সর্বোচ্চ মাপকাঠি। আপাতত এগিয়ে বর্ধমান। একটু খোলসা করে বললে, তৃণমূল নেত্রী এবারের ভোটপ্রচারে যতগুলি সভা বা রোড শো করেছেন, সব ক্ষেত্রেই ফেসবুক লাইভ করা হয়েছে মমতার পেজ থেকেই।
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২৮