দুই পুলিশের ওপর হামলা-আইএসের দায় স্বীকার ষড়যন্ত্রের অংশ
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ১ মে বুধবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করেছেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম
- দুই পুলিশের ওপর হামলা-আইএসের দায় স্বীকার ষড়যন্ত্রের অংশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-দৈনিক যুগান্তর
- শ্রমিকের জীবন, শ্রমিকের সংগ্রাম-দৈনিক প্রথম আলো
- মির্জা ফখরুলের বগুড়া-৬ শূন্য ঘোষণা-দৈনিক ইত্তেফাক
- স্কুল থেকে ফেরার পথে ছাত্রীদের ধর্ষণ করতো আমিনুর-দৈনিক মানবজমিন
- সাকিবকে ছাড়াই বিশ্বকাপের উদ্দেশে দেশ ছাড়ল টাইগাররা-দৈনিক নয়া দিগন্ত
ভারতের শিরোনাম:
- গঢ়চিরৌলীতে মাওবাদী হামলা, বিস্ফোরণে নিহত ১৫ কমান্ডো এবং গাড়ির চালক-দৈনিক আনন্দবাজার
- বিভাজনের প্রমাণ মেলেনি বক্তব্যে, মোদিকে ক্লিনচিট নির্বাচন কমিশনের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- বরখাস্ত বিএসএফ কর্মী তথা সপা প্রার্থী তেজবাহাজুরকে নোটিস কমিশনের -দৈনিক আজকাল
- পাঠক/শ্রোতা! এবারে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাব। জনাব সিরাজুল ইসলাম কথাবার্তার আসরে আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি।
কথাবার্তার বিশ্লেষণের বিষয়:
১. ফেনীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় এডিসি, এসপি এবং ওসিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। দৈনিক মানব জমিনের এ খবরকে আপনি কীভাবে দেখছেন?
২. ইরান সফরে এসেছেন বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী এবং শিক্ষাক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশই আগ্রহী। প্রশ্ন হচ্ছে কী ধরনের সহযোগিতা বাড়ানো সম্ভব?
বিশ্লেষণের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবর:
মির্জা ফখরুলের বগুড়া-৬ শূন্য ঘোষণা-দৈনিক ইত্তেফাক
একাদশ সংসদের একটি আসন শূণ্য ঘোষণা করেছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। জাতীয় সংসদের আসন ৪১, বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। ওই আসনের একাদশ সংসদে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ধানের শীষে প্রার্থী হিসেবে বিজয় লাভ করেন।
দুই পুলিশের ওপর হামলা-আইএসের দায় স্বীকার ষড়যন্ত্রের অংশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-দৈনিক যুগান্তর
রাজধানীর গুলিস্তানে ককটেল হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার ঘটনায় ইসলামিক স্টেটের (আইএস) দায় স্বীকারকে ষড়যন্ত্রের অংশ বলে অভিহিত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বুধবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে লায়ন জেলা ৩১৫ বি/১ বাংলাদেশের ২৩তম বার্ষিক সম্মেলন শেষে গণমাধ্যম কর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনো ঘটনা ঘটলেই আইএস দায় স্বীকার করছে এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সাইট ইন্টেলিজেন্স বিবৃতি দিচ্ছে, এটি ষড়যন্ত্র। তিনি বলেন, অতীতের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি, কোনো ঘটনা ঘটামাত্র মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে আমেরিকাভিত্তিক সাইট ইন্টেলিজেন্স নামের ওয়েবসাইট থেকে আইএস দায় শিকার করে নেয়। এটি একটি ষড়যন্ত্র। যে যতোই ষড়যন্ত্র করুক বাংলাদেশের মাটিতে জঙ্গিবাদের স্থান নেই। বাংলাদেশের মানুষ কখনো সন্ত্রাসকে পছন্দ করে না, কোনোদিন জঙ্গিদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেয় না।
পাঁচ কারণে শেষ মুহূর্তে ইউটার্ন নিল বিএনপি-দৈনিক যুগান্তর
৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে ভোট ডাকাতি ও ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলে ফল বর্জন করেছিল বিএনপি।এরপর থেকে বলে আসছিল একাদশ সংসদে অংশ নেবে না দলটি। বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির একাধিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন দলটির নেতারা। ওই সিদ্ধান্তের সূত্র ধরে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা বলে আসছিলেন, একাদশ নির্বাচনে জয়ী বিএনপির ছয় জনপ্রতিনিধির কেউ-ই শপথ নেবেন না। এমনকি তাদের কেউ সংসদের আশপাশে গেলেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ইউটার্ন নেয় এক দশকেরও বেশি সময় ক্ষমতার রাজনীতি বাইরে থাকা এ দলটি। শপথ গ্রহণের শেষ দিনে সোমবার সন্ধ্যায় সংসদ ভবনে আচমকা হাজির হন বিএনপির চার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। তারা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন। এতদিন যারা শপথ নেবেন না বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে আসছিলেন তারাই এদিন সংসদে যোগ দিয়ে জানান দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে শপথ নিয়েছেন।
সংসদে শপথ না নেয়ার বিষয়ে অনড় সিদ্ধান্ত থেকে হঠাৎ সরে আসায় দলটির ভেতরে এবং বাইরে চলছে নানা আলোচনা। সমালোচনাও শুনতে হচ্ছে শীর্ষ নেতাদের।স্থায়ী কমিটির বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সদস্য ফোন বন্ধ রেখেছেন কিংবা এ বিষয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ এ সিদ্ধান্ত বদলের সুলোক সন্ধান করার চেষ্টা করছেন দলটির নেতাকর্মীরা।
বিএনপির প্রভাবশালী ও মধ্যম সারির বেশ কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেশ কয়েকটি কারণে শেষ মুহূর্তে এসে শপথ গ্রহণ প্রশ্নে ইউটার্ন নিয়েছে বিএনপি। হঠাৎ রাজনীতির এ বাঁক বদলের পেছনে বেশ কয়েকটি সম্ভাবনা ও যুক্তি সামনে রেখেছেন দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা।সেগুলো হচ্ছে- প্রথমত: নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের শপথের বিষয়ে অনড় অবস্থান, দ্বিতীয়ত: দলীয় শৃংখলা, তৃতীয়ত: রাজপথের পাশাপাশি সংসদেও দাবি তুলে ধরার সুযোগ হাতে রাখা, চতুর্থত: দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও মুক্তি, পঞ্চমত: জনগণের রায়কে সম্মান।তবে এগুলোর মধ্যে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের শপথ গ্রহণের সিদ্ধান্ত থেকে বিরত না রাখতে পারার আশঙ্কা ও খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টিই শপথ নেয়ার বিষয়ে গুরুত্ব পেয়েছে দলীয় হাইকমান্ডের কাছে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমানের শপথ গ্রহণের পর পাল্টে যায় বিএনপির রাজনীতির দৃশ্যপট। জাহিদের এই সিদ্ধান্তে ধাক্কা খান বিএনপির হাইকমান্ড। বাকি ৪ জনের (মহাসচিব মির্জা ফখরুল ছাড়া) এ পথ থেকে ফেরাতে নানাভাবে চেষ্টা চালান দলের নীতিনির্ধারকরা।
নির্বাচিতদের সঙ্গে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পৃথক কথা বলেন। তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। রোববার সন্ধ্যায় নির্বাচিতদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন দলটির নীতিনির্ধারকরা। সেখানে স্কাইপে নির্বাচিতদের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কথা বলেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সংসদে না যাওয়ার ব্যাপারে তাদের অনুরোধ করেন। কিন্তু নির্বাচিতরা তাদের অবস্থানে অনড় ছিলেন। উল্টো তারা সংসদে যাওয়ার যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। এরপর স্থায়ী কমিটির সদস্যরা নির্বাচিতদের নিয়ে পৃথক বৈঠক করেন। সেখানেও তাদের শপথ না নেয়ার আহ্বান জানানো হয়।
কিন্তু বৈঠকে পাল্টা যুক্তি উপস্থাপন করা হয়। বৈঠকে তাদের অবস্থান দেখে স্থায়ী কমিটির অনেকেই সন্দেহ করেন তাদের শপথ থেকে বিরত রাখা যাবে না। এরপর স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তারেক রহমান। নির্বাচিতদের মনোভাব তাকে অবহিত করেন। বৈঠকে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দলের সাংগঠনিক বিষয়ে যে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দায়িত্ব দেয়া হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এক নেতা বলেন, রোববার রাতে স্থায়ী কমিটির বৈঠকেই তারেক রহমান শপথের পক্ষে কথা বলেন। তবে আলোচনায় স্থায়ী কমিটির সব নেতাই শপথের বিপক্ষে মতামত দেন। তবে তারা এ-ও বলেন, এই শপথের সঙ্গে যদি খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি থাকে, তাহলে তাদের আপত্তি নেই। আর যদি তা-ই হয়, তাহলে আরও আগে এ নিয়ে আলোচনা হল না কেন?
আগে খালেদা জিয়ার মুক্তির শর্ত দিয়ে এমপিরা শপথ নিতে পারত? জাহিদুর রহমানকে কেন বহিষ্কার করা হল? এসব প্রশ্নের কোনো উত্তর না দিয়ে তারেক রহমান তাদের জানান, এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত তিনিই নেবেন।
সূত্র জানায়, দলের শৃঙ্খলা ধরে রাখতে এবং গণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার স্বার্থেই শেষ মুহূর্তে সংসদে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। এ ব্যাপারে দলের সিনিয়র নেতা ছাড়াও কয়েকজন বুদ্ধিজীবীর পরামর্শ নেন তিনি। সবাই সংসদে যাওয়ার পক্ষে মত দেন।
বিএনপির ভাঙন সময়ের ব্যাপার মাত্র : হানিফ-দৈনিক নয়া দিগন্ত
আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এমপি বলেছেন, বিএনপির কর্মকাণ্ডই প্রমাণ করে বিএনপির ভাঙন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। তিনি বলেন, ‘বিএনপির নেতাদের কর্মকাণ্ডে প্রমাণ করছে যে তাদের মধ্যে বিভক্তি স্পষ্ট। দলটির ভাঙন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।’ আওয়ামী লীগের অন্যতম মুখপাত্র মাহবুব-উল আলম হানিফ বুধবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে মহান মে দিবস উপলক্ষে জাতীয় শ্রমিক লীগের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুকুর মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, বিএনপির নির্বাচিত চার সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে যোগদান করেছেন। কিন্তু দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদে যোগদান করেন নি। এটাই প্রমাণ করে বিএনপির ভাঙ্গন অনেকটাই নিশ্চিত। তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল তার শপথ না নেয়াকে রাজনৈতিক কৌশল বলে দাবী করেছেন। কিন্তু আমি বলব, এটা তার রাজনৈতিক কৌশল নয়, এটা তাদের অপকৌশল। হানিফ আরো বলেন, বিএনপি মহাসচিব এ ধরনের অপকৌশল অবলম্বন করে দলটির ভাঙ্গন ঠেকিয়ে রাখতে পারবেন না।
এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি
গঢ়চিরৌলীতে মাওবাদী হামলা, বিস্ফোরণে নিহত ১৫ কমান্ডো এবং গাড়ির চালক-দৈনিক আনন্দবাজার
ভোটের মধ্যেই ফের মাওবাদী হানা। মাওবাদী গেরিলাদের হানায় প্রাণ হারালেন এন্তত ১৫ জন কমান্ডো। মৃত্যু হয়েছে পুলিশের গাড়ির চালকেরও। রবিবারই এক বছর আগে সংগঠনের ৪০ জন গেরিলা এবং নেতা-নেত্রীর মৃত্যুর বদলা নেওয়ার হুমকি দিয়ে পোস্টার দিয়েছিল মাওবাদীরা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, উত্তর গঢ়চিরৌলীর কুরখেদা থেকে ছ’কিলোমিটার দূরে রাজ্য সড়কের উপর লেন্দরী পুলের কাছে ঘটনাটি ঘটেছে। রাস্তায় পেতে রাখা মাওবাদীদের আইইডি বিস্ফোরণে উড়ে যায় সি-৬০ কমান্ডোদের একটি গাড়ি। বিষ্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে গোটা গাড়িটা টুকরো টুকরো হয়ে যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ওই গাড়িতে থাকা ১৬ জন সি-৬০ কমান্ডো ছিলেন। প্রত্যেককেই গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
বিভাজনের প্রমাণ মেলেনি বক্তব্যে, মোদিকে ক্লিনচিট নির্বাচন কমিশনের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে ওঠা নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ খারিজ করে দিল নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়ে দিল, প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ হয় এমন কিছুই বলেননি। ফলে, নির্বাচনী মরশুমে কোনও শাস্তি পেতে হচ্ছে না প্রধানমন্ত্রীকে। কংগ্রেসের অভিযোগ ছিল, ভোটপ্রচারে গিয়ে সেনা সম্পর্কে সাম্প্রদায়িক বিভাজনমূলক মন্তব্য করছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু, সেই অভিযোগ ধোপে টিকল না। উল্লেখ্য , এ প্রসঙ্গে কমিশনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কং শিবির।
জেতা নয়, উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের উদ্দেশ্য বিজেপির ভোট কাটা! স্বীকার করলেন প্রিয়াঙ্কা-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
জোট না হলেও উত্তরপ্রদেশে সপা-বসপার সঙ্গে অঘোষিত সমঝোতা করেছে কংগ্রেস, এতদিন চলছিল কানাঘুষো। এবার, তা প্রকাশ্যেই চলে এল। খোদ কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী স্বীকার করে নিলেন যেখানে যেখানে কংগ্রেস শক্তিশালী নয়, সেখানে সেখানে বিজেপির ভোট কাটার জন্য প্রার্থী দিয়েছে কংগ্রেস।উত্তরপ্রদেশে যখন সমাজবাদী পার্টি এবং বহুজন সমাজ পার্টি যখন জোট ঘোষণা করল তখনই তাঁরা জানিয়ে দিয়েছিল কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর আমেঠি এবং ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধীর রায়বরেলি কেন্দ্রে কোনও প্রার্থী দেবে না মহাজোট। তখনই, অনেকে আন্দাজ করছিলেন প্রকাশ্যে জোট না হলেও তলায় তলায় কৌশলগত সমঝোতা করেই ভোটের ময়দানে যাবে সপা-বসপা।
বিজেপি মিথ্যাবাদী, দাঙ্গাবাজদের দল, আন্দুলে বললেন মমতা-আনন্দবাজার
তিনি আসার আগে চিরকাল অবহেলিত ছিল বাংলা। গত আট বছরে বাংলায় পরিবর্তন ঘটিয়েছে তাঁর সরকার, আন্দুলে প্ররসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৩৪ বছরের বাম সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন তিনি। সেই বামেরা আজ বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে বলেও এদিন দাবি করেন মমতা। তিনি বলেন, ‘‘৩৪ বছর ধরে বাংলায় কম অত্যাচার করেনি সিপিএম। লড়াই করে তাদের সরিয়েছি। সেই সিপিএমের হার্মাদরা আজ বিজেপির ওস্তাদে পরিণত হয়েছে। আর সিপিএম-এর মতো অত্যাচার করছে বিজেপি। নিজেরা কপ্টারে চেপে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সাত দফায় নির্বাচন করে বাংলার মানুষকে হেনস্থা করছে ওরা।’’
গুজরাত দাঙ্গা নিয়ে এর আগে বহুবার নরেন্দ্র মোদীকে আক্রমণ করেছেন মমতা। এ দিন তিনি বলেন, ‘‘উত্তরপ্রদেশ ও গুজরাতে দাঙ্গা করিয়ে বহু মানুষ খুন করিয়েছে বিজেপি।তৃণমূলের ব্লক সভাপতিদের যে যোগ্যতা রয়েছে, মোদী-শাহ তার ধারে কাছেও আসেন না।’’
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১