ঢাকা সিটি ভোট চিত্র: গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য অশনিসংকেত-শহীদ খান
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ৩ ফেব্রুয়ারি সোমবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- পরীক্ষা নিয়ে গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী -দৈনিক ইত্তেফাক
- ঢাকায় সর্বনিম্ন ভোটের রেকর্ড -দৈনিক মানবজমিন
- ১৫-১৭% জনসমর্থন নিয়ে মেয়র -দৈনিক প্রথম আলো
- মাতৃগর্ভে থাকা সন্তানের লিঙ্গপরিচয় প্রকাশ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট -দৈনিক যুগান্তর
- পরীক্ষা চলাকালে রাজনৈতিক কর্মসূচি না দেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর -দৈনিক সমকাল
- আদা চা পানে সারে করোনাভাইরাস! গুজবে উদ্বিগ্ন চিকিৎসকরা -বাংলাদেশ প্রতিদিন
ভারতের শিরোনাম:
- প্রেম প্রস্তাবে ‘না' দিনেদুপুরে প্রকাশ্যে জ্বালিয়ে দেওয়া হল অধ্যাপিকাকে-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- করোনাভাইরাস: মৃত বেড়ে ৩৬০, ‘তালাবন্ধ’ হল চিনের আরও এক শহর -দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
- কেরলে ধরা পড়ল তৃতীয় করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী -দৈনিক আজকাল
পাঠক/শ্রোতা! এবারে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাব।
কথাবার্তার বিশ্লেষণের বিষয়:
১. ঢাকা সিটি নির্বাচনে ১৫ থেকে ১৭ ভাগ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের দুই মেয়র ক্ষমতায় বসতে যাচ্ছেন। এটি দৈনিক প্রথম আলোর শিরোনাম। কী বলবেন আপনি?
২. রাশিয়া বলেছে, ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। পরিকল্পনা প্রকাশের ৪/৫ দিন পর মস্কো এই প্রথম এ ধরনের বক্তব্য দিল। কীভাবে দেখছেন রাশিয়ার বক্তব্যকে?
বিশ্লেষণের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবর:
পরীক্ষা নিয়ে গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী-দৈনিক ইত্তেফাক
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপুমনি বলেছেন, ‘পরীক্ষা নিয়ে কোথাও যাতে কেউ গুজব ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর আছে। এ ব্যাপারে অভিযোগ পাওয়া গেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে কেউ অনৈতিক কাজ করবেন তা কোনভাবেই প্রশ্রয় দেয়া হবে না।’আজ (সোমবার) সকালে রাজধানীর তেজগাঁও সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি একথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, ৩৫টি সাধারণ বিষয়ে ও ৩০ সৃজনশীল বিষয়ে ৫৫৮০ সেট প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হয়েছে।
আজ থেকে শুরু হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। চলতি বছর ৯টি সাধারণ বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। এর মধ্যে ১০ লাখ ২৪ হাজার ৩৬৩ জন ছাত্র ও ১০ লাখ ২৩ হাজার ৪১৬ জন ছাত্রী।
এছাড়া এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ছাত্রের তুলনায় ছাত্রী ৫১ হাজার ৪০৪ জন বেশি। দাখিল পরীক্ষায় ছাত্রের তুলনায় ছাত্রী ১২ হাজার ৯৭৮ জন বেশি। ২০১৯ সালের তুলনায় চলতি বছরে পরীক্ষার্থী কমেছে ৮৭ হাজার ৫৪৪ জন। এরমধ্যে ছাত্র কমেছে ৪৬ হাজার ৭৮ জন এবং ছাত্রী কমেছে ৪১ হাজার ৪৭৬ জন। পরীক্ষা চলাকালে রাজনৈতিক কর্মসূচি না দেওয়ার আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী।
ঢাকা সিটি নির্বাচনের ফলোআপ খবর আজও বিভিন্ন দৈনিকে গুরুত্বসহ পরিবেশিত হয়েছে। এ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি শিরোনাম ও খবর তুলে ধরছি।
ঢাকায় সর্বনিম্ন ভোটের রেকর্ড-দৈনিক মানবজমিন
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ভোটের হার চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে সবার কপালে। হতাশ নির্বাচন কমিশন। রাজনৈতিক দল, প্রার্থী সবাই অখুশি ভোটার উপস্থিতি নিয়ে। ভোটের চিত্র দেখে শঙ্কিত নির্বাচন বিশ্লেষক ও দেশের বিশিষ্টজনরা। তারা বলছেন, ভোটের এই নিম্নগতি চলতে থাকলে এক সময় এটি উদ্বেগজনক পর্যায়ে চলে যেতে পারে। পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বিগত নির্বাচনগুলোর তুলনায় ধারাবাহিকভাবে ভোটের হার কমছে। পাঁচ বছর আগে ২০১৫ সালের ২৮শে এপ্রিল ঢাকার দুই সিটি ও চট্টগ্রাম সিটিতে একদিনেই ভোট হয়েছিল। তাতে ব্যালট পেপারে গড়ে ভোট পড়েছিল ৪৩ শতাংশ।
সে সময় ঢাকা উত্তর সিটিতে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৩৭ শতাংশ ও দক্ষিণ সিটিতে ৪৮ শতাংশ এবং চট্টগ্রামে ভোট পড়েছিল ৪৭ শতাংশ। আর ২০১৯ সালে ঢাকা উত্তরের মেয়র পদের উপ নির্বাচনে ভোট পড়েছিলো ৩১ শতাংশ। ওই নির্বাচনে এক বছরের জন্য মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন আতিকুল ইসলাম। কম সময়ের জন্য নির্বাচন হওয়ায় এবং শুধু মেয়রের ভোট হওয়ায় ওই নির্বাচন তেমন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ছিল না। কিন্তু এবার অনেকটা উৎসবমুখর পরিবেশে ব্যাপক প্রচার প্রচারণার পর ভোট হলেও দুই সিটিতে গড়ে ভোট পড়েছে ২৭ ভাগের মতো। দক্ষিণে ২৯ ভাগ ভোট পড়লেও উত্তরে পড়েছে ২৫ ভাগ। সাম্প্রতিক সময়ে অনুষ্ঠিত ঢাকার নির্বাচনগুলোর মধ্যেই এটি সর্বনিম্ন ভোটের রেকর্ড।
এই নির্বাচন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য অশনিসংকেত-দৈনিক মানবজমিন
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন মূল্যায়ন কশরে স্থানীয় সরকার বিভাগের সাবেক সচিব আবু আলম মো. শহীদ খান বলেছেন, এই নির্বাচন আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য একটি অশনিসংকেত। এই অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে ভোটের হার আরও কমে যাবে। এবং এটি ৫/১০ ভাগে নেমে আসতে পারে। ঢাকার ভোটে যে চিত্র দেখা গেছে তা নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর জনগণের অনাস্থার প্রকাশ বলেও মনে করেন সাবেক এই সচিব। মানবজমিন-এর সঙ্গে আলাপে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের তরফে যেটা আমরা জানতে পারলাম যে ৩০ পারসেন্টের কম ভোটার কেন্দ্রে গিয়ে থাকতে পারেন। তার যদি ১০ ভাগ বিরোধী দল পায়, ২০ ভাগ শাসক দল পায় তাহলেতো ২০ পারসেন্টের ভোটে নির্বাচিত মেয়র পাচ্ছেন ঢাকা নগরবাসী। তাহলে ৮০ ভাগ মানুষের ইচ্ছারতো কোন প্রতিফলন থাকল না এই নির্বাচনের ব্যাপারে। সেই কারণে এটি গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত।
মানবজমিনের অন্য একটি খবরে লেখা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের সচিব মো. আলমগীর বলেছেন, অনাস্থার কারণে মানুষ ভোটে যায়নি, এটা আমার কাছে মনে হয়নি। জনগণ ছুটি পেয়েছে, অনেকে ছুটি ভোগ করেছে। কেউ কেউ ফেসবুক নিয়ে ব্যস্ত ছিল। তাই ভোটাররা ভোট দিতে যাননি। রোববার বিকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, অনাস্থার কারণে যদি ভোটে না যেতেন তাহলে যারা সরকারি দল তাদের তো অন্তত ভোটে অনাস্থা নাই। তাদের যদি সব ভোটার ভোট দিতেন, তাহলেওতো এত কম ভোট পড়তো না। তার মানে হলো যারা সরকারকে সমর্থন করেন, তাদেরও অনেক ভোটার ভোট দিতে যান নাই।
সিটি নির্বাচনে ৫ থেকে ৭ ভাগ ভোট পড়েছে-দৈনিক মানবজমিন
ঢাকা দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন মিডিয়ার কারচুপির মাধ্যমে ভোটের ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। এই নির্বাচনে ৫ থেকে ৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। গতকাল বিকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকার নির্বাচন নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি একথা বলেন। সিইসি জানিয়েছেন এ নির্বাচনে ৩০ শতাংশের কম ভোট পড়েছে তার এ বক্তব্যের বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, মিডিয়া এ বিষয়ে অনেক রিপোর্ট করেছে। আমার কাছে সেগুলো আছে। এখানে ৫/৬ অথবা ৭ শতাংশ ভোট পড়তে পারে। ফলাফল তৈরির জন্য তারা একটা অঙ্ক বা অনুপাত মিলিয়েছেন। যেটা তারা প্রকাশ করেছে।
১৫-১৭% জনসমর্থন নিয়ে মেয়র-দৈনিক প্রথম আলো
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতিকুল ইসলাম মোট ভোটারের মাত্র ১৪ দশমিক ৮৪ শতাংশের সমর্থন নিয়ে মেয়রের চেয়ারে বসতে যাচ্ছেন। অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণে মোট ভোটারের ১৭ দশমিক ৩০ শতাংশের সমর্থন নিয়ে মেয়রের দায়িত্ব নিচ্ছেন আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপস।
ভোট পড়ার হার উত্তরে ২৫ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং দক্ষিণে ২৯ শতাংশ। অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় এবার কমসংখ্যক ভোটারের সমর্থন নিয়ে মেয়রের দায়িত্ব নিতে হচ্ছে ক্ষমতাসীন দলের দুই প্রার্থীকে। ভোটের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ক্রমে ভোটের প্রতি মানুষের আগ্রহ কমছে। তবে সর্বশেষ এই ভোটের হার নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন অনেকে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর থেকে ভোটের প্রতি একধরনের অনাগ্রহ তৈরি হতে থাকে। বিভিন্ন নির্বাচনে নানা অনিয়ম ও জবরদখলের ঘটনায় নির্বাচনব্যবস্থা ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট হয়েছে। নির্বাচনব৵বস্থা ভেঙে পড়েছে। ফল নির্ধারণে ভোটারদের গুরুত্ব নেই—এমন একটি ধারণা তৈরি হয়েছে। এ কারণে বড় অংশের ভোটারের মধ্যে ভোটবিমুখতা তৈরি হয়েছে।
মাতৃগর্ভে থাকা সন্তানের লিঙ্গপরিচয় প্রকাশ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট-দৈনিক যুগান্তর
মাতৃগর্ভে থাকা শিশুর লিঙ্গপরিচয় জানার উদ্দেশ্যে পরীক্ষা (আলট্রাসনোগ্রাফি) ও তা প্রকাশ কেন অবৈধ এবং বেআইনি হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। স্বাস্থ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের ছয় সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
ভারতে পরকীয়ায় জড়িত ৮ লাখ মানুষ !-দৈনিক ইত্তেফাক
ভারতে পরকীয়ায় জড়িত অন্তত ৮ লাখ মানুষ। দেশটির বিবাহিত পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে সম্প্রতি একটি অনলাইন ডেটিং এবং সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সার্ভিস অ্যাপ সমীক্ষা চালিয়েছে। সেখানেই এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ভারতের ৮ লক্ষ মানুষ যে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িত তাদের এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বেঙ্গালুরু, মুম্বাই এবং কলকাতা।
পরকীয়া নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, ডেটিং অ্যাপ এর মাধ্যমে পরকীয়ায় শীর্ষে আছেন বেঙ্গালুরুর পুরুষরা। সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে, পরকীয়ায় মেয়েদের তুলনায় পুরুষদের সংখ্যা বেশি। বেঙ্গালুরুর পাশাপাশি যথাক্রমে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে মুম্বাই এবং কলকাতার পুরুষেরা, তারপরেই আছে দিল্লী, এরপর হায়দ্রাবাদ। এছাড়া মেয়েদের দিক দিয়ে তালিকায় এগিয়ে আছে বেঙ্গালুরু, তারপর যথাক্রমে মুম্বাই এবং চেন্নাই। পাসাপাশি তালিকায় কলকাতা শহরও রয়েছে।
দেশটির সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট থেকে পরকীয়া আইনসিদ্ধ করে দেওয়ার পর থেকেই যেন গ্রিন সিগনাল পেয়েছেন কিছু মানুষ। এরপরই মেতে উঠেছে পরকীয়ার সম্পর্কে।
এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি
করোনাভাইরাস: মৃত বেড়ে ৩৬০, ‘তালাবন্ধ’ হল চিনের আরও এক শহর-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
আরও একটি শহরকে তালাবন্ধ করল চিন। করোনাভাইরাসের উত্সস্থল উহান থেকে আটশো কিলোমিটার দূরে অবস্থিত জেঝিয়াং প্রদেশের ওয়েংঝউ শহরকে এ বার তালাবন্ধ করল চিন। এই নিয়ে চিনের মোট ১৯টি শহর এখন ‘তালাবন্ধ’। সব মিলিয়ে ‘আটক' অন্তত ছয় কোটি বাসিন্দা। পরিবহণ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়ে বহির্বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে ওই শহরগুলোর। ঠিক যেন ‘জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে চিনে। রোবারই অন্তত ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এই ভাইরাসের হানায়। ফলে চিনে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৬০। তেমনই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এই মুহূর্তে যা প্রায় ১৬ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। ২০০২-০৩ সালে চিন ‘সার্স-র ভয়াবহতা দেখেছে।
কেরলে ধরা পড়ল তৃতীয় করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী-দৈনিক আজকাল
আবারও কেরল। আবারও নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী। সোমবার কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে কে শৈলজা সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোষণা করেছেন, ‘কাসারাগোড়ে এক যুবকের দেহে করোনাভাইরাস মিলেছে। কাঞ্জনগড় জেলা হাসপাতালে পৃথক ওয়ার্ডে কড়া নজরদারিতে চিকিৎসাধীন তিনি। চীনের ইউহানে পড়তে গিয়েছিলেন ওই ছাত্র। তবে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল।’ একই কথা বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকও। কড়া এপর্যন্ত দেশে তিনজনের শরীরে মিলল এই ভাইরাস। দৈনিকটির অন্য একটি খবরের শিরোনাম-কলকাতায় করোনা আতঙ্ক, বেলেঘাটা আইডি–তে ভর্তি চারজন। আদা চা পানে সারে করোনাভাইরাস! গুজবে উদ্বিগ্ন চিকিৎসকরা এমন একটি খবর পরিবেশিত হয়েছে খালিজ টাইমসের বরাত দিয়ে বিভিন্ন দৈনিকে।
প্রেম প্রস্তাবে ‘না’, দিনেদুপুরে প্রকাশ্যে জ্বালিয়ে দেওয়া হল অধ্যাপিকাকে-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
প্রেম প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ার জের। প্রকাশ্য রাস্তায় দিনে দুপুরে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হল মহিলা অধ্যাপককে। সোমবারের সাত সকালের এই ঘটনায় মহারাষ্ট্রের ওয়ারধা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গুরুতর জখম অবস্থায় অগ্নিদগ্ধ মহিলাকে ওয়ারধার স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় নাগপুরের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ওয়ারধা পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তবে অভিযুক্ত এখনও ফেরার। তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/৩