বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূৃচিতে সংঘর্ষ: নারায়ণগঞ্জে নিহত ২, আহত শতাধিক
৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করতে গিয়ে বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নেত্রকোনা, রংপুরসহ বিভিন্ন জেলায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় আজ অন্তত দুইজন নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে আজ ফারুক খান সুজন ও শাওন মাহমুদ ওরফে আকাশ নামে ছাত্র ও যুবদলের দুইকর্মী নিহত হয়েছেন। মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু আল ইউসুফ খান টিপু জানান, ফারুক খান সুজন সরকারি তোলারাম কলেজের ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও শাওন মাহমুদ ফতুল্লার এনায়েতনগরের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদল নেতা ছিলেন।
এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ আটজন যুবদলকর্মী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জেলা পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল গণমাধ্যমকে বলেন, পূর্বানুমতি ছাড়া বিএনপি নেতা-কর্মীরা সড়ক অবরোধ করলে পুলিশ তাঁদের সরাতে চেষ্টা করে। এ সময় তাঁরা পুলিশকে লক্ষ্য করে বৃষ্টির মতো ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ অবস্থায় জানমাল রক্ষার্থে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও শর্টগানের গুলি ছোড়ে। সংঘর্ষে যুবদলের কর্মী শাওন মাহমুদের মৃত্যুর বিষয়ে পুলিশ সুপার বলেন, এ বিষয়ে তাঁরা এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি।
দায়ী ব্যক্তিদের বিচার দাবি ফখরুলের
এদিকে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম এ হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে দায়ী ব্যক্তিদের বিচার দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, হত্যা, হামলা-মামলা করে জনগণের দাবি আদায়ের আন্দোলন দমন করা যাবে না।
‘নারায়ণগঞ্জে নিহত শাওন বিএনপির কর্মী নাকি পথচারী তদন্ত হচ্ছে’
তবে সরকারের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ নিহত ব্যাক্তি বিএনপির কর্মী কী না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেছেন- ‘যে ছেলেটি মারা গেছে, সে একটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের ভাতিজা। নিহত ব্যক্তি বিএনপির কর্মী, নাকি পথচারী সেটি এখনও তদন্ত চলছে। আমি পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি।’
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি সারা দেশে গণ্ডগোল করার পরিকল্পনা করে নানা কর্মসূচি সাজিয়েছে। সেই কারণে সারা দেশে তারা পুলিশের ওপর হামলা চালাচ্ছে। পথচারীদের ওপর হামলা পরিচালনা করছে। মানুষের সম্পত্তির ওপর হামলা করছে। অর্থাৎ ২০১৩, ২০১৪, ২০১৫ সালে যে কাজগুলো করেছিল, সেটির নতুন সংস্করণ তারা শুরু করেছে। দেশে একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরির জন্য তারা এসব করছে।
সিরাজগঞ্জে সংঘর্ষ: বিএনপির ২৫ নেতা-কর্মী আহত
সিরাজগঞ্জে জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সমাবেশ শেষে পুলিশ ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইট পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও লাঠি চার্জ করেছে। এতে পুলিশ ও বিএনপির কর্মীসহ ১৫ জন আহত হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন বলেন, বিএনপি আজ তাদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে শহরের ই.বি রোডে অবস্থিত দলীয় কার্যালয়ে কেক কাটার পর সমাবেশ করে। সমাবেশের শেষ দিকে কিছু কর্মী আমাদের পুলিশ বাহিনীকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। তখন পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠি চার্জ করে। এতে বিএনপির নেতাকর্মীরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশের উপর হামলা করলে আমাদের কয়েকজন অফিসারসহ বেশ কয়েক জন সদস্য আহত হন। তখন আমরা টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে তাদের শহরের ধানবান্ধি এলাকার দিকে পাঠিয়ে দেই।
মানিকগঞ্জে সংঘর্ষ: ২৫ জন আহত
মানিকগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা–কর্মীদের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আজ (বৃহস্পতিবার) বেলা ১১টার দিকে জেলা শহরের খালপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ইটপাটকেলের আঘাতে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রউফ সরকারসহ তিন পুলিশ সদস্য ও দুই সাংবাদিক আহত হয়েছেন। এ ছাড়া পুলিশের লাঠিপেটায় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের অন্তত ২৫ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ পরে কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বিএনপির পাঁচ নেতা-কর্মীকে আটক করেছে বলে বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ও বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বেলা ১১টার দিকে শহরের দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে জেলা বিএনপি। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বেলা পৌনে ১১টার দিকে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা শহরের উত্তর সেওতা এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে দিকে যাচ্ছিলেন। পথে খালপাড় এলাকায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ নেতা–কর্মীদের লাঠিপেটা করে। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন নেতা–কর্মী আহত হন।
এরপর পুলিশ বিএনপির নেতা–কর্মীদের ধাওয়া করে। একপর্যায়ে বিএনপির নেতা–কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। এতে ইটপাটকেলের আঘাতে সদর থানার ওসি আবদুর রউফ সরকার, কনস্টেবল সাখাওয়াত হোসেন, মো. শাহীন এবং ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রতিনিধি আর এস মঞ্জুর রহমান ও বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিনিধি সাজেদুর রহমান আহত হন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এ জিন্নাহ কবীর বলেন, ‘আমাদের গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে পুলিশ অগণতান্ত্রিক আচরণ করছে। পুলিশের লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাসের শেলে দলের ২৫ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। এ ছাড়া পাঁচ নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।’
সদর থানার ওসি জানান, এ ঘটনায় তিনি নিজেও ও আহত হয়েছেন। আহত দুই কনস্টেবলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আটকের বিষয়সহ বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
নেত্রকোনায় পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ: এএসপিসহ আহত ৩০
নেত্রকোনায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনকালে পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মুহাম্মদ ফররুজ্জামান জুয়েলসহ ৮জন পুলিশ সদস্য ও বিএনপির কমপক্ষে ২২ জন আহত হয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে জেলা শহরের ছোট বাজারে বিএনপি দলীয় অফিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নেত্রকোনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. মো. আনোয়ারুল হক জানান, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি পালনের জন্য বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকমর্কীরা মিছিল করে দলীয় অফিসের সামনে জড়ো হতে থাকে। এ সময় নেতাকর্মীদের ভিড় জমে যায়। পরে পুলিশ তাদের বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় ১০-১২ জন গুলিবিদ্ধসহ অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হন।
রংপুরে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ধস্তাধস্তি
বিএনপি ও আওয়ামী লীগের একই সময়ে কর্মসূচি পালনে উত্তাপ ছড়িয়েছে রংপুর নগরীতে। বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর গ্রান্ড হোটেল মোড়স্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি সহস্রাধিক নেতাকর্মী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র্যালি বের করার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের বেরিকেড উল্টিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা র্যালি করতে চাইলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।
পরে বিএনপির নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামু, সদস্য সচিব মাহফুজ উন নবী ডন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, সদস্য সচিব আনিসুর রহমান লাকু, জেলা যুবদলের সভাপতি নাজমুল আলম নাজু, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মনিরুজ্জামান হিযবুল, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি জাকারিয়া ইসলাম জীমসহ অন্যরা।
এর আগে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশকে কেন্দ্র করে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট, নেত্রকোনার মদন ও বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় গতকাল বুধবার সংঘর্ষে অন্তত ৭০ জন আহত হয়েছেন। সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ঘটে নাঙ্গলকোটে। সেখানে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও পুলিশের সংঘর্ষে পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ প্রায় ৫০ জন আহত হন। পুলিশের ছোড়া কাঁদানে গ্যাসে ২৭ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে।
সোনাগাজীতে বিএনপি’র ১০ নেতা-কর্মী গ্রেফতার
ওদিকে ফেনীর সোনাগাজীতে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের করা দুই মামলায় গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে। গতকাল বুধবার রাতে উপজেলার চর চান্দিয়া, পূর্ব সুজাপুর ও চর লক্ষ্মীগঞ্জ এলাকা থেকে উপজেলা বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল ও যুবদলের চার নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে গত তিন দিনে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতা-কর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
গতকাল রাতে গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক আলাউদ্দিন, চর মজলিশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল বাশার, যুবদলের কর্মী মোবারক হোসেন ও শাহাদাত হোসেন। এর আগে গত সোমবার রাত থেকে গতকাল দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ছয় নেতা–কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দায়রকৃত মামলার আসামিদের গ্রেফতার করতে বুধবার রাতে পুলিশের একাধিক দল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান চালায়। এ সময় চর চান্দিয়া এলাকা থেকে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক আলাউদ্দিন, চর লক্ষ্মীগঞ্জ থেকে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল বাশার এবং উপজেলার পূর্ব সুজাপুর থেকে যুবদলের কর্মী মোবারক হোসেন ও শাহাদাত হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গতকালের সংঘর্ষ
এ ছাড়া গতকাল বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের মণ্ডলপাড়ায় পুলিশের বাধার মুখে পণ্ড হয়ে গেছে মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ। এ সময় মহানগর যুবদলের মিছিলে পুলিশের লাঠিপেটায় আট নেতাকর্মী আহত হন। পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে বিএনপির সভা পণ্ড করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী সাহেববাড়ি মাঠে গতকাল বিকেলে উপজেলা বিএনপি ও আওয়ামী লীগ সমাবেশের ডাক দিলে আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে সেখানে ও এর আশপাশের এলাকায় রাত ১০টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করে উপজেলা প্রশাসন।
ঝিনাইদহ শহরে মঙ্গলবার বিএনপির সমাবেশে আসা-যাওয়ার পথে হামলা ও মারধরে শতাধিক নেতাকর্মী আহত হওয়ার দাবি করেছে বিএনপি। গতকাল জেলা বিএনপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতারা এই অভিযোগ করেন। জ্বালানি তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও ভোলায় গুলিতে দুই নেতা নিহত হওয়ার প্রতিবাদে গত ২২ আগস্ট থেকে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করে আসছে বিএনপি।#
পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।