কর্ণফুলীতে জাহাজডুবি
বঙ্গোপসাগরে দুই জাহাজের সংঘর্ষ: দু'টি মরদেহ উদ্ধার
বঙ্গোপসাগরের বহির্নোঙরে দুটি লাইটারেজ জাহাজের সংঘর্ষে একটি জাহাজডুবির ঘটনায় নিখোঁজ আরো দুজনের মৃতদেহ আজ (শুক্রবার) সকালে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।
কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন কাজী শাহ আলম গণমাধ্যমকে জানান, বুধবার বিকেলে আকিজ লজিস্টিকসের একটি লাইটারেজ জাহাজের সঙ্গে এমভি সুলতান নামে আরেকটি লাইটারেজ জাহাজের সংঘর্ষ হলে এমভি সুলতান সাগরে ডুবে যায়। কোস্টগার্ড দ্রুত তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করলেও চারজন নিখোঁজ হন। আজ সকালে তাদের মধ্যে দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
কর্ণফুলীতে জাহাজডুবি
এর আগে মঙ্গলবার রাত একটার সময় র্যাংকন ওশেনা কোম্পানির মাছ ধরার জাহাজ এফবি মাগফেরাত কর্ণফুলী নদী তীরে সি–রিসোর্স নামের ডকইয়ার্ডে মেরামতের জন্য ওঠানোর সময় পাখা খুলে যায়। এ সময় জাহাজটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের বয়া ও অন্যান্য জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা লেগে নদীতে ডুবে যায়।
ডুবে যাওয়া জাহাজের প্রধান প্রকৌশলী মো. সোলায়মানের বরাত দিয়ে নৌ পুলিশ জানায়, জাহাজে ১৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ৯ জন বিভিন্নভাবে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও জাহাজের ক্যাপ্টেন ফারুক বিন আবদুল্লাহ, মো. সাইফুল, ডক কর্মচারী রহমতসহ সাতজন নিখোঁজ হন।
নিখোঁজ সাতজনের মধ্যে চারজনের লাশ নদীর বিভিন্ন জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এই চারজন হলেন- জাহাজের ক্যাপ্টেন ফারুক বিন আবদুল্লাহ, প্রকৌশলী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, প্রধান কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম ও ডক কর্মচারী রহমত আলী।
দুর্ঘটনার পর জাহাজটির নিবন্ধনকারী সংস্থা নৌ বাণিজ্য অফিসের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। সংস্থাটির প্রকৌশলী ও সার্ভেয়ার রফিকুল আলমকে প্রধান করে গঠিত কমিটিকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।#
পার্সটুডে/আব্দুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১৪
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।