২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় খালেদা-তারেক জড়িত: প্রধানমন্ত্রী
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i18031-২১_আগস্ট_গ্রেনেড_হামলায়_খালেদা_তারেক_জড়িত_প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় খালেদা-তারেক জড়িত ছিলেন তাতে সন্দেহের কোনো অবকাশ নাই। কারণ ধীরে ধীরে তদন্তের মাধ্যমে এগুলো বেরিয়ে এসেছে।”
(last modified 2026-06-24T09:59:37+00:00 )
আগস্ট ২৪, ২০১৬ ০৯:২৮ Asia/Dhaka
  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ফাইল ফটো)
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ফাইল ফটো)

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় খালেদা-তারেক জড়িত ছিলেন তাতে সন্দেহের কোনো অবকাশ নাই। কারণ ধীরে ধীরে তদন্তের মাধ্যমে এগুলো বেরিয়ে এসেছে।”

বুধবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গণভবনে দুস্থ সাংবাদিকদের অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, “আইভী রহমান নিহত হন। তখন পুলিশ আমাদের লাঠিচার্জ করে। আহত মানুষদের উপর টিয়ারগ্যাস ছুড়ে পুলিশ সদস্যরা। আইভী রহমানকে চিকিৎসার নামে সিএমএইচেও নেয়া হয়।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ওই হামলার পর কোনো আলামত তারা রক্ষা করেনি। বরং যত দ্রুত সম্ভব আলামতগুলো ধ্বংস করে ফেলে। এমনকি যে ১৩টি গ্রেনেড ছোড়া হয়েছিল, তার মধ্যে একটি গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয়নি। সেই গ্রেনেডটি এক সামরিক অফিসার উদ্ধার করে সংরক্ষণ করতে চেয়েছিলেন। তার কারণে চাকরিতে তাকে অনেক অসুবিধায় পড়তে হয়।”

এর আগে রোববার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে একুশে আগস্ট স্মরণে এক সমাবেশে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাকারীদের নিরাপদে সরিয়ে দিয়েছিল পুলিশ।

অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আপনার স্বোচ্চার ছিলেন, আরও স্বোচ্চার হতে হবে। এই দেশে জঙ্গিবাদের কোনো স্থান হবে না। তারা যেন কোনো জায়গা না পায়। ইসলামকেও তারা প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।” 
  
শেখ হাসিনা বলেন, দেশের সব সাংবাদিক হত্যার বিচার করা হবে। কেউই পার পাবে না। অনেক সময় হত্যার সাক্ষী পাওয়া যায় না। যে কারণে বিচারকাজ বিলম্বিত হয়। 
  
বিএনপি শাসনামলের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা ক্ষমতায় থাকাকালে জঙ্গিবাদের বিস্তৃতি হয়েছে। তারা জঙ্গিবাদকে ব্যবহার করেছে, উসকে দিয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতাদের খুন করে আট টুকরা করেছে। দেশে বীভৎস, ভয়ংকর পরিবেশ সৃষ্টি করে রেখেছিলে।সংবাদপত্রগুলো তাদের নির্যাতন, হত্যা, খুনের সংবাদ প্রকাশ করার সাহস পেত না। সাংবাদিকদের ওপর তারা অমানসিক নির্যাতন চালাত। তার চিহ্ন এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন অনেক সাংবাদিক। 
  
তিনি বিভিন্ন ঘটনার লাইভ প্রচারের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান এবং তাদের বিভিন্ন দাবি বিবেচনার আশ্বাসও দেন।  
  
প্রথমবারের মতো সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের আওতায় ১৯৬ জন দুস্থ, অসুস্থ, দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক ও নিহত সাংবাদিকদের পরিবারকে এক কোটি ৪০ লাখ অনুদানের টাকা দেয়া হয়।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/২৪