শিক্ষার মাধ্যমে জাতিকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে এনেছি: প্রধানমন্ত্রী
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i19567-শিক্ষার_মাধ্যমে_জাতিকে_অন্ধকার_থেকে_আলোর_পথে_এনেছি_প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘শিক্ষার মাধ্যমে আমরা জাতিকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে এনেছি। সারা বিশ্বে শিক্ষায় মেয়েদের অংশগ্রহণ কম বলে ছেলে-মেয়ে সমতা আনার কথা বলা হয়। আর আমাদের দেশে উল্টো। এখানে মেয়েদের সংখ্যা বেশি বলে এখন ছেলেদের এগিয়ে আনতে হবে।’
(last modified 2026-06-27T09:59:16+00:00 )
সেপ্টেম্বর ০৮, ২০১৬ ০৮:১৬ Asia/Dhaka
  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ফাইল ফটো)
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ফাইল ফটো)

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘শিক্ষার মাধ্যমে আমরা জাতিকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে এনেছি। সারা বিশ্বে শিক্ষায় মেয়েদের অংশগ্রহণ কম বলে ছেলে-মেয়ে সমতা আনার কথা বলা হয়। আর আমাদের দেশে উল্টো। এখানে মেয়েদের সংখ্যা বেশি বলে এখন ছেলেদের এগিয়ে আনতে হবে।’

আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস ২০১৬’ এর উদ্বোধন উপলক্ষে দেয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা হলো আমাদের ছেলে-মেয়েদের অধিকার, আর তা নিশ্চিত করা যেকোনো সরকারের দায়িত্ব। প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চশিক্ষায় আমরা বৃত্তি দিয়ে যাচ্ছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়েছি, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু হচ্ছে। এখন ঝরেপড়ার হার মাত্র ২০ শতাংশ, যা আরও নামিয়ে আনা হবে।’

ছেলেমেয়েদের জন্য বাবা-মাকে এখন আর কষ্ট করে বই কিনতে হয় না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০১০ সালে আমরা অত্যন্ত বিজ্ঞানসম্মত ও যুগোপযোগী শিক্ষানীতি ঘোষণা করেছি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট থেকে দরিদ্র মেধাবী ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিয়ে যাচ্ছি। প্রায় এক কোটি ২৮ লাখ শিক্ষার্থী সেখান থেকে বৃত্তি পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা তহবিল থেকেও বৃত্তি দিয়ে আমরা অভিভাবকদের ভার লাঘব করছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে সাক্ষরতার হার ৭১ শতাংশ। একে শতভাগে উন্নীত করতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। অশিক্ষার অন্ধকার দূর করে দেশ আলোর পথে যাত্রা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সন্তানকে নীতি ও আদর্শের শিক্ষা দিয়ে উপযুক্ত নাগরিক করে গড়ে তুলতে অভিভাবক ও শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

স্কুলে মিড ডে মিল চালু করতে বিত্তশালীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, পেটে ক্ষুধা না থাকলে ছেলে-মেয়রা স্কুলে থাকবে।

‘অতীতকে জানব, আগামীকে গড়ব’ এই প্রতিপাদ্যে পালিত হচ্ছে এবারের আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। ১৯৯৬ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর থেকে প্রতিবছর দিনটি বাংলাদেশে উদযাপিত হয়ে আসছে।

সাক্ষরতা দিবস আয়োজন উপলক্ষে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মুস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘দেশে ৭১ শতাংশ মানুষ সাক্ষরতা লাভ করেছে।’  

পার্সটুডে/এআর/৮