মংলা-ঘষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ-চ্যানেল উদ্বোধন করেছেন শেখ হাসিনা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i24106-মংলা_ঘষিয়াখালী_আন্তর্জাতিক_নৌ_চ্যানেল_উদ্বোধন_করেছেন_শেখ_হাসিনা
বাগেরহাটের মংলা-ঘষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ-চ্যানেল উদ্বোধন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মাধ্যমে চলাচলের জন্য সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত করা হলো দুই বছর ধরে খনন করা পশুর নদীর এ সংযোগটি।
(last modified 2026-06-27T09:59:16+00:00 )
অক্টোবর ২৭, ২০১৬ ১২:১১ Asia/Dhaka
  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ফাইল ফটো)
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ফাইল ফটো)

বাগেরহাটের মংলা-ঘষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ-চ্যানেল উদ্বোধন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মাধ্যমে চলাচলের জন্য সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত করা হলো দুই বছর ধরে খনন করা পশুর নদীর এ সংযোগটি।

আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে টেলি কনফারেন্সের মাধ্যমে এ চ্যানেলের উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে, সরকারের নিজস্ব অর্থায়ানে দেশের বেসরকারি শিপইয়ার্ডে নির্মিত বিআইডব্লিউটিএ’র ১১টি ড্রেজার, মংলা অত্যাধুনিক সাইলোর (খাদ্য গুদাম) এবং ইউনিসেফের সহায়তায় শিশু সুরক্ষায় টেলিফোন হেলপ লাইন ১০৯৮ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।

সাইলো উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের চিন্তা-ভাবনাই ছিল দেশে খাদ্য ঘাটতি রাখা। কারণ, খাদ্য ঘাটতি থাকলে বিদেশি সাহায্য পাওয়া যায়। আর বর্তমান সরকার খাদ্য গুদামজাত করার জন্য সাইলো তৈরি করছে। বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এই অর্জন বর্তমান সরকারের চিন্তাভাবনার কারণেই সম্ভব হয়েছে। আমাদের চিন্তাভাবনাই হচ্ছে, বাংলাদেশের মানুষ অন্যের কাছে হাত পাতবে না। নিজেরাই দেশের মানুষকে খাদ্য নিরাপত্তা দেবো।

এর আগে, শিশু সুরক্ষায় চাইল্ড হেল্পলাইন ‘১০৯৮’ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইউনিসেফের সহায়তা এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। এর ফলে ১০৯৮-এ ফোন করে যে কেউ শিশু অধিকার লঙ্ঘন, নির্যাতন ও সামাজিক সুবিধা সম্পর্কে অভিযোগ জানাতে পারবেন। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখনই কোনো শিশু বিপদে পড়বে তারা ১০৯৮ এই নাম্বারে ফোন করে যে সাহায্যটা পাবে সেটা অনেক নিরাপদ হবে। সেইসঙ্গে যারা অপকর্ম করতে চাইবে তারা একটু ভীত থাকবে। তাদের বিরুদ্ধে যে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে, সেটা তারা জানবে। হেলপ লাইনের অপব্যবহার করা হলে বা মিথ্যা তথ্য দেয়া হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশকে দারিদ্রমুক্ত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া শেখানো হচ্ছে, বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। প্রতিটি ছেলে-মেয়েকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে বর্তমান সরকার। শিশুদের সুরক্ষায় সমাজের সবস্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।#

পার্সটুডে/শামস মণ্ডল/আশরাফুর রহমান/২৭