জাতির যেকোনো দুর্যোগে সশস্ত্র বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে: শেখ হাসিনা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i26278-জাতির_যেকোনো_দুর্যোগে_সশস্ত্র_বাহিনী_গুরুত্বপূর্ণ_ভূমিকা_পালন_করছে_শেখ_হাসিনা
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, 'জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমনসহ জাতির যেকোনো দুর্যোগে সশস্ত্র বাহিনী সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।' আজ (সোমবার) সকালে ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০১৬ উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে বীরশ্রেষ্ঠদের উত্তরাধিকারী এবং খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
(last modified 2026-06-27T09:59:16+00:00 )
নভেম্বর ২১, ২০১৬ ০৮:২৯ Asia/Dhaka
  • বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, 'জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমনসহ জাতির যেকোনো দুর্যোগে সশস্ত্র বাহিনী সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।' আজ (সোমবার) সকালে ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০১৬ উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে বীরশ্রেষ্ঠদের উত্তরাধিকারী এবং খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। আমরা কারো কাছে হাত পেতে ভিক্ষা নিতে পারি না।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের স্বাধীনতা রক্ষার সুমহান দায়িত্ব সশস্ত্র বাহিনীর ওপর ন্যস্ত। এই পবিত্র দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা, দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম, অবকাঠামো নির্মাণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সশস্ত্র বাহিনীকে আরো আধুনিকায়ন করতে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধাদের সুবিধা বাড়াতেও সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে, ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সকালে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. আবদুল হামিদ এবং সরকার প্রধান ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা সেনানিবাসে পৌঁছলে তাকে স্বাগত জানান তিন বাহিনীর প্রধান।

প্রেসিডেন্ট শিখা অনির্বাণে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল অভিবাদন জানায়। পরে প্রেসিডেন্ট শিখা অনির্বাণ চত্বরে রাখা পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

প্রেসিডেন্টর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিখা অনির্বাণে ফুল দিয়ে শহীদ সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময়, সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অফ অনার দেয়। পরে প্রধানমন্ত্রী পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধানের পর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল আবু এসরার নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষ থেকে শিখা অনির্বাণে ফুল দেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিন বাহিনীর প্রধানরা বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্ট এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর তৎকালীন সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী নিয়ে গঠন করা হয়েছিল বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী। সেই থেকে ২১ নভেম্বর দিবসটিকে সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হয়। সশস্ত্র বাহিনী দিবসের বাণীতে প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ‘কঠোর অনুশীলন, পেশাগত দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দেশপ্রেমের’ সমন্বয়ে দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের দেশপ্রেম, পেশাদারিত্ব এবং উন্নত নৈতিকতার আদর্শে স্ব-স্ব দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালনের প্রত্যাশার কথা বলেছেন।#

পার্সটুডে/এআর/২১