নুরুল হুদার অধীনে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে যাবে বিএনপি: মির্জা ফখরুল
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i32913-নুরুল_হুদার_অধীনে_উপজেলা_পরিষদ_নির্বাচনে_যাবে_বিএনপি_মির্জা_ফখরুল
বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশনের আগামী মার্চে অনুষ্ঠেয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিবে বিএনপি।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৭ ১৫:৪৯ Asia/Dhaka
  • সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল (ফাইল ফটো)
    সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল (ফাইল ফটো)

বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশনের আগামী মার্চে অনুষ্ঠেয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিবে বিএনপি।

আজ (সোমবার) দুপুরে নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য জানান।

এর আগে দলের যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ অঙ্গ দলের নেতাদের সঙ্গে যৌথ সভা করেন তিনি। পরে ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস উপলক্ষে বিএনপির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদদের নিয়ে যৌথ সভায় করেন মির্জা আলমগীর।

নতুন ইসির অধীনে আগামী ৬ মার্চ দেশের ১৪ জেলার ১৮ উপজেলা পরিষদে প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে ভোটগ্রহণ হবে। এ নির্বাচেন অংশ নেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত পরিষ্কারভাবে বলেছি, গঠিত নতুন নির্বাচন কমিশনের প্রধান কর্মকর্তা; তিনি প্রধান কমিশনার হওয়ার মত যোগ্য ব্যক্তি নন। এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে জাতীয় নির্বাচনে যাব কি যাব না, সেটা অনেক পরের ব্যাপার।’

তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন এটা চলমান প্রক্রিয়া, আমরা তা করছি এবং তা করব।’

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘এ দেশের মানুষ খুব ভালোভাবেই উপলব্ধি করে, নিবার্চনকালীন সময়ে যদি নিরপেক্ষ সরকার না থাকে কারো পক্ষেই সেখানে সুষ্ঠু নিবার্চন করা সম্ভব নয়। সেই কারণেই নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার জন্য সহায়ক সরকার ছাড়া কোনো ভাবেই সম্ভব নয়। এই ব্যাপারটি খুবই পরিষ্কার।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সহায়ক সরকারের প্রস্তাব দেব। এবং সরকারকে আলোচনার জন্য উদ্যোগ নিতে বলব। রাষ্ট্রপতিকে বলার কাজ শেষ হয়ে গেছে। তিনি তো অপকর্ম যেটা করার সেটা করে ফেলেছেন। এখন আমরা প্রধানমন্ত্রীকেই এই (সহায়ক সরকার) প্রস্তাব দেব। আলোচনায় আসতে হবে, তা না হলে সকল দায়ভার তাকেই বহন করতে হবে।’

দুর্নীতি মামলায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাজা হলে বিএনপির হাল কে ধরবেন এই গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের উদ্ধৃতি তুলে ধরে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা অত্যান্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই, এই ধরনের চিন্তাভাবনার মধ্য দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা কোনো বৈঠক করেনি, আলোচনা করেনি, কোন সিদ্ধান্তও নেননি। এসব খবর কাল্পনিক রচনা মাত্র।’

পদ্মা সেতু দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কোথায় নেই দুর্নীতি, শুধু পদ্মা সেতুই নয়। সবখানেই দুর্নীতি হচ্ছে। পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতি অভিযোগ থেকে বিশ্বব্যাংক তাদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি। দুর্নীতি যে হয়নি এটা তারা বলেনি। দুর্নীতির যা হয়েছে সেটার অবস্থান থেকে তারা সরে এসেছে।’

দলীয় কর্মসূচি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করবেন। ওই দিন বিএনপির নেতাকর্মীরা রাজধানীর বলাকা সিনামা হলের সামনে জমায়েত হয়ে আজিমপুর কবরস্থানের উদ্দেশ্য রওয়া হবে, সেখানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হবে।#

পার্সটুডে/এআর/১৩