আদালতে যাননি খালেদা; দুর্নীতি মামলার শুনানি পিছিয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i33058-আদালতে_যাননি_খালেদা_দুর্নীতি_মামলার_শুনানি_পিছিয়ে_২৬_ফেব্রুয়ারি
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার শুনানি ফের পিছিয়েছে। আসামী পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি শুনানির দিন পুনর্নির্ধারণ করেছে আদালত। রাজধানীর পুরনো ঢাকার বকশিবাজারে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে, এ দুই মামলার বিচার কাজ চলছে।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৭ ১২:৩৩ Asia/Dhaka
  • বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া
    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার শুনানি ফের পিছিয়েছে। আসামী পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি শুনানির দিন পুনর্নির্ধারণ করেছে আদালত। রাজধানীর পুরনো ঢাকার বকশিবাজারে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে, এ দুই মামলার বিচার কাজ চলছে।

আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে এ দুই মামলার প্রধান আসামি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে তার আইনজীবীদের সময়ের আবেদন করেন। সময়ের আবেদনে খালেদা জিয়ার অসুস্থতা এবং আদালত পরিবর্তনে উচ্চ আদালতে করা আবেদন শুনানির অপেক্ষায় থাকার কথা উল্লেখ করেন তারা। শুনানি শেষে তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদার তাদের আবেদন মঞ্জুর করে নতুন দিন ধার্য করেন।

এরপর অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার আসামি শরফুদ্দিন আহমেদের আইনজীবী রেজাউল করিম সরকার এ মামলার দুই সাক্ষীকে ফের জেরার আবেদন জানালে সেটিও মঞ্জুর করে ২৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করে আদালত।

আজ (বৃহস্পতিবার) চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থনে অসমাপ্ত লিখিত বক্তব্য পাঠ এবং অরফানেজ মামলায় সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল।

২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এতিমদের সহায়তার উদ্দেশ্যে একটি বিদেশি ব্যাংক থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে ৬ জনের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করা হয়।

বেগম খালেদা জিয়াছাড়া অন্য পাঁচ আসামি হলেন, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও তার বড়ছেলে তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

অন্যদিকে, ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় খালেদা জিয়াসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা করে দুদক। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়।

চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় মোট আসামি চারজন। খালেদা জিয়া ছাড়া অভিযুক্ত অপর তিন আসামি হলেন, খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।#

পার্সটুডে/শামস মণ্ডল/আশরাফুর রহমান/১৬