আওয়ামী লীগ ভাষা শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করেছে: ফখরুল
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i33330-আওয়ামী_লীগ_ভাষা_শহীদ_ও_মুক্তিযোদ্ধাদের_রক্তের_সঙ্গে_বেইমানি_করেছে_ফখরুল
বাংলাদেশকে ‘গণতন্ত্রহীন’ রেখে আওয়ামী লীগ একুশের চেতনা, ভাষাশহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৭ ১৭:১০ Asia/Dhaka
  • বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বাংলাদেশকে ‘গণতন্ত্রহীন’ রেখে আওয়ামী লীগ একুশের চেতনা, ভাষাশহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  

ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস উপলক্ষে বিএনপি’র দুদিনের কর্মসূচির প্রথম দিনে আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন। মির্জা ফখরুল বলেন, “ভাষা আন্দোলনের চেতনা ছিল মূলত গণতান্ত্রিক চেতনা এবং ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল চেতনাটা ছিল গণতান্ত্রিক চেতনা। এখনকার শাসকগোষ্ঠী বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সে আশা-আকাঙ্ক্ষা পদদলিত করে দেশে একটা একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চায়। বন্দুক-অস্ত্র ব্যবহার করে জনগণের ন্যায্য দাবিগুলো তারা দাবিয়ে রাখছে।”

তিনি বলেন, “আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, তারা (ক্ষমতাসীনরা) ভাষা আন্দোলনের চেতনার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তের সাথে বেঈমানি করেছে।”

সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেন, “আজকে যে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলি, সেগুলো ধুলিসাৎ করে দিয়েছে বর্তমান সরকার। আজকে সত্যিকার অর্থে একদলীয় একটা সরকার চলছে। এটার জন্য আমরা যুদ্ধ করি নাই, এটার জন্য ভাষা আন্দোলনে আমি কারাবরণ করি নাই, এটার জন্য শহীদ বরকত, সালাম, রফিক রক্ত দেয়নি।”

একুশের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে বিএনপি নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার সংগ্রামে নামার আহ্বান জানান দলটির মহাসচিব।

নতুন নির্বাচন কমিশন ও আগামী নির্বাচনের বিষয়ে দলের অবস্থানও তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, “আজকে যে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে, তার প্রধান যাকে নিযুক্ত করা হয়েছেন তিনি হচ্ছেন আওয়ামী লীগ দলীয় একজন ব্যক্তি। কেউ তাকে চিনে না।”

“আগামীতে যে নির্বাচন আসবে, সেই নির্বাচন আমরা দেখতে চাই একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। সেটা যে নামেই চিহ্নিত করা হোক না কেন- সহায়ক সরকার বলি বা অন্য কোনো সরকার বলি, তাকে সম্পূর্ণভাবে নিরপেক্ষ হতে হবে।”

মহাসচিব ফখরুলের সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানীর পরিচালনায় সভায় সাবেক স্পিকার মুহাম্মদ জমিরউদ্দিন সরকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ, অধ্যাপক মাহবুবউল্লাহ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন বক্তব্য দেন।#

পার্সটৃুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/২১