জাতিসংঘ শান্তিমিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখন ব্রান্ড নেম : প্রধানমন্ত্রী
-
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ফাইল ফটো)
দেশ-বিদেশে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনী শুধু দেশ নয়, সারা বিশ্বে এখন প্রশংসিত। জাতিসংঘ শান্তিমিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখন ব্রান্ড নেম। দেশের উন্নয়ন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে। এ সময়, দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে প্রস্তুত থাকতেও নির্দেশ দেন তিনি।
আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুর সাড়ে ১২টায় পটুয়াখালীর নেবুখালীতে দেশের ৩১ তম শেখ হাসিনা সেনানিবাস উদ্বোধনী ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এরআগে, বেলুন উড়িয়ে সেনানিবাস উদ্বোধন করেন তিনি। এছাড়া সেনাবাহিনীর সপ্তম পদাতিক ডিভিশনের সদর দপ্তরসহ ১১টি ইউনিটের পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, পবিত্র সংবিধান ও দেশের সার্বভৌমত্বে আপনাদের ঐক্যবদ্ধভাবে অভ্যন্তরীণ ও বিদেশী শত্রুদের মোকাবেলায় সদা প্রস্তুত থাকতে হবে। দেশের সাংবিধানিক ও গণতন্ত্রধারা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি জনকল্যাণ কাজে সেনাবাহিনীকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।
সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরেন তিনি বলেন, সরকার দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক, উন্নত ও যুগোপযোগী করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এজন্য আর্মড ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রণয়ন করে প্রতিরক্ষা বাহিনীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। অল্প সময়ের মধ্যে এখানে এই সেনানিবাস উদ্বোধনের উপযোগী করতে পারায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদও জানান প্রধানমন্ত্রী।
নবনির্মিত সেনানিবাস দক্ষিণাঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে, এমন আশাবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আওয়ামী লীগ দেশের সেবায় বিশ্বাসী। আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করছি। কাজেই সে সক্ষমতা বাংলাদেশ আজ পেয়েছে। আমাদের লক্ষ্য দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা। কারণ আমরা একটা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি। ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করব। ইনশাআল্লাহ।"
এ সময়, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহম্মেদ, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং তিন বাহিনীর প্রধানসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।#
পার্সটুডে/শামস মণ্ডল/আশরাফুর রহমান/৭