জিয়া চ্যারিটেবল মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বাড়ল ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i60657-জিয়া_চ্যারিটেবল_মামলায়_খালেদা_জিয়ার_জামিন_বাড়ল_৫_সেপ্টেম্বর_পর্যন্ত
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে আদালত।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
আগস্ট ০৭, ২০১৮ ০৮:৩০ Asia/Dhaka
  • বেগম খালেদা জিয়া
    বেগম খালেদা জিয়া

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে আদালত।

বকশিবাজারের অস্থায়ী আদালতে ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক শেখ নাজমুল আলম খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের আবেদনের শুনানি শেষে আজ (মঙ্গলবার) সকালে এ আদেশ দেন। এ ছাড়া এ মামলার আসামি জিয়াউল হাসান মুন্নার সময়ের আবেদনও মঞ্জুর করা হয়। ওই দিন যুক্তিতর্ক শুনানির জন্যও নতুন দিন ধার্য করা হয়।

পরে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, ‘জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টসহ অধিকাংশ মামলায় খালেদা জিয়া জামিনে রয়েছেন। এ বিষয়টি আদালতে আমরা উপস্থাপন করেছি। এ ছাড়া তিনি অসুস্থ রয়েছেন উল্লেখ করে কারা কর্তৃপক্ষ প্রতিবেদন দিয়েছে।’

চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় অভিযুক্ত অপর তিন আসামি হলেন খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছেন মোট ৩২ জন। ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা করা হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর-রশীদ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি দুদকের দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান। এ মামলায় খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ অন্য আসামিদের ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া অর্থদণ্ডও করা হয়। রায়ের পর খালেদা জিয়া রাজধানীর নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে সাজা ভোগ করছেন।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৭

খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন