জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i63529-জাতীয়_শোক_দিবসে_বঙ্গবন্ধুর_প্রতিকৃতি_ও_সমাধিতে_প্রধানমন্ত্রীর_শ্রদ্ধা
জাতীয় শোক দিবসে বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ (মঙ্গলবার) সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন তাঁরা।
(last modified 2026-06-27T06:25:53+00:00 )
আগস্ট ১৫, ২০১৮ ০৬:২৭ Asia/Dhaka
  • বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ
    বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ

জাতীয় শোক দিবসে বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ (মঙ্গলবার) সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন তাঁরা।

এ সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল সশস্ত্র সালাম জানায়; বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। এরপর পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে ১৫ আগস্ট নিহতদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ হাসিনা। এছাড়া জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী চলে যাওয়ার পর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর সবার শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য খুলে দেওয়া হয়। বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি হাজারো মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান।

বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ফুল দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

সকাল ১০টায় হেলিকপ্টারে গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর সমাধিস্থলে পৌঁছান শেখ হাসিনা। সকাল ১০টা ৭ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে সশস্ত্র বাহিনী গার্ড অব অনার দেয়। পরে প্রধানমন্ত্রী ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নেন।

বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে মোনাজাতে অংশ নেন শেখ হাসিনা

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য ধানমন্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। সেই কালোরাতে ঘাতকরা শেখ মুজিবের স্ত্রী বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব, তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল, শেখ জামালের স্ত্রী রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর ছোট ভাই শেখ নাসেরকে হত্যা করে। সেই রাতেই নিহত হন বঙ্গবন্ধুর বোনের স্বামী আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ, মেয়ে বেবী ও শিশুপৌত্র সুকান্ত বাবু; বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যুবনেতা শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি, নিকট আত্মীয় শহীদ সেরনিয়াবাত ও রিন্টু।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

ধানমণ্ডির বাড়িতে পুলিশের বিশেষ শাখার সাব ইন্সপেক্টর সিদ্দিকুর রহমান ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিলকেও গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় বঙ্গবন্ধুর দুইকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান।

দিবসটি উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। দিবসটিকে ইতোমধ্যেই সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ১৫ আগস্টকে সামনে রেখে এ মাসের প্রথম দিন থেকেই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। এবারো সরকারিভাবে পালিত হচ্ছে দিবসটির বিভিন্ন কর্মসূচি।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৫