জিয়া চ্যারিটেবল মামলার রায় আগেই লেখা হয়েছে: নজরুল ইসলাম খান
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i65113-জিয়া_চ্যারিটেবল_মামলার_রায়_আগেই_লেখা_হয়েছে_নজরুল_ইসলাম_খান
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় আগে থেকেই লিখে রাখা হয়েছে। আজ(বুধবার) জাতীয় প্রেসক্লাবে ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
অক্টোবর ১৭, ২০১৮ ১৬:০৮ Asia/Dhaka
  • বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান
    বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় আগে থেকেই লিখে রাখা হয়েছে। আজ(বুধবার) জাতীয় প্রেসক্লাবে ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে  নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আগামী ২৯ তারিখ রায়ের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৯ তারিখ কেনো? তারা চাইলে কালকেও রায় দিতে পারেন। কারণ রায় তো আগেই লেখা হয়ে গেছে।’

ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা যারা লুট করেছে, তাদের কী বিচার হয়েছে- এ প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘তাদের বিচার দ্রুত করতে সরকারের কোনো আগ্রহ নাই। আর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের ৩ কোটি টাকার অভিযোগ। এই রায় আগামী ২৯ অক্টোবর দেওয়া হবে। কিন্তু তিনি অসুস্থ। এ কারণে জেলখানা, হাসাপাতালের এবং সরকারি ডাক্তারদের সুপারিশে হাসপাতালে বেগম জিয়া ভর্তি আছেন। আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য কোর্টে যাওয়ার সামর্থ নেই তার।’

আমাদের আইনজীবীরা বলেছিলেন যে, তাকে তো আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেবেন। কিন্তু কোনো কথা শোনা হয় নি। সরকার পক্ষের  দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আদালত বলে দিয়েছে যে, বেগম জিয়ার অনুপস্থিতেই বিচার চলবে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমান অবস্থা চলতে পারে না। এমন একটা বাংলাদেশের জন্য আমরা মুক্তিযুদ্ধ করি নি। ৫ কোটি টাকার মালিক এখন ৫ হাজার কোটি টাকার মালিক।  এই চরম বৈষম্যের দেশ আমরা চাই নি। এর পরিবর্তনের পথ হচ্ছে, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণ রায়। এজন্য আমাদেরকে জনগণের কাছে যেতে হবে।’

ইভিএম এর বিষয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘ভারতে একটা ইভিএম কিনতে বাংলাদেশের টাকায়, ২১ হাজার ৫০০ টাকা খরচ হয়। আমাদের দেশে বুয়েট ইভিএম মেশিন তৈরি করেছে। এর দাম ২২ থেকে ২৪ হাজার টাকা। আর এই ইভিএম মেশিন আমাদের সরকার বিদেশ থেকে কিনছে ২ লাখ ৩৪ হাজার টাকায়! অর্থাৎ ১১ গুন বেশি দামে। এখন তো লুটপাট ছাড়া আর কিছুই হচ্ছে না। সরকারের উচিত এর সন্তোষজনক জবাব দেওয়া।#

পার্সটুডে/আব্দুর রহমান খান/গাজী আবদুর রশীদ/১৭