গোটা বাংলাদেশ একটা কারাগারে পরিণত হয়েছে:মির্জা ফখরুল
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i71763-গোটা_বাংলাদেশ_একটা_কারাগারে_পরিণত_হয়েছে_মির্জা_ফখরুল
সরকারের ইচ্ছাতেই খালেদা জিয়ার জামিন আটকে আছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জুলাই ০৬, ২০১৯ ১৩:২০ Asia/Dhaka
  • বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সরকারের ইচ্ছাতেই খালেদা জিয়ার জামিন আটকে আছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (৬ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‌বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী-খান সোহেলসহ সকল নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, খালেদা জিয়াকে মিথ্যা ও সাজানো মামলায় কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। একই ধরনের মামলায় আওয়ামী লীগের নেতা ও অনুসারীরা জামিনে রয়েছেন কিন্তু আমাদের নেত্রী আছেন জেলে। এটা সম্পূর্ণ বেআইনি ও অবৈধ। এই সরকার ইচ্ছে করেই খালেদা জিয়ার জামিন আটকে রেখেছে।

খালেদা জিয়ার মুক্তি গণদাবি উল্লেখ করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি আজকে গণদাবিতে পরিণত হয়েছে। কারণ, সবাই তার মুক্তি চায়। তাই, গণবিরোধী সরকার, যারা মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়েছে, তাদের সরাতে হলে জনগণের ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। সেই ঐক্য আমাদেরকে সৃষ্টি করতে হবে।

এ সময় ফখরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হলে আমাদের অবশ্যই গণঐক্য ও জনগণের ঐক্য তৈরি করতে হবে। আর সমস্ত রাজনৈতিক দল ও জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে একটা গণ জোয়ারের মধ্যে দিয়ে এই সরকারকে পরাজয় মানতে বাধ্য করা হবে বলেও মন্তব্য করেন ফখরুল।

সারাদেশে ক্ষমতাসীনরা নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে জানিয়ে ফখরুল বলেন, বাংলাদেশ একটা বিরাট কারাগারে পরিণত হয়েছে। আজকে সরকার বিএনপি চেয়ারপারসনকে কারাগারে আটক রেখে গণতন্ত্রকে আটক রাখতে চায়। কারণ খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের প্রতীক। একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সরকার একে একে সমস্ত গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে।

এর আগে গতকাল বিএনপির মহসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাজধানীতে এটি মানববন্ধনে বলেছেন, ‘বিচার ব্যবস্থা এখন সরকারের নিয়ন্ত্রণে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে আজ খালেদা জিয়া কারাবন্দি। দেশের বিচার-ব্যবস্থায় স্বাধীনতা নেই। সব আওয়ামী লীগ নেতার হাতে চলে গেছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মধ্যমে নিম্ন আদালতে একটি রায় পাঁচ বছর থেকে ১০ বছর বাড়ানো হয়েছে।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/বাবুল আখতার/৫

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।